আগ্রহ আর চেষ্টা থাকলে সফলতা পাওয়া কোনো কঠিন ব্যাপার নয়। এরই দৃষ্টান্ত খুলনার ফুলতলার তাজপুর গ্রামের সারোয়ার মোল্লা আর গিলাতলার সাদেক আলী। সারোয়ার মোল্লা এক সময় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে যে টাকা পেতেন তা দিয়ে তার সংসার ঠিকভাবে চলতো না। ঋণ নিয়ে স্থাপন করলেন কটন অ্যান্ড রিফাইনারিজ মিলস। এখান থেকে লেপ-তোষকের তুলা উত্পাদন করে দুই বছরের মাথায় সাফল্যের মুখ দেখতে শুরু করেন। সম্পূর্ণ খরচ বাদ দিয়ে বছরে এখন তার লাভ থাকছে প্রায় ৭ লাখ টাকা। এদিকে সাদেক আলী প্লাস্টিকের বৈদ্যুতিক সরজ্জামাদি তৈরি করে প্রতি মাসে লাভ করছেন ৩৫ হাজার টাকা। এক সময়ে একটি মিলে চাকরি করে মাসে বেতন পেতেন মাত্র ২৪০০ টাকা। তা নিয়ে বড়োই কষ্টে দিনগুলো পার করতেন। তিনি বলেন, ইলেকট্রিক সামগ্রী তৈরির কাজে ৮ জন কর্মচারী রেখেছি, তাদেরকে প্রতি মাসে ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা করে বেতনও দিচ্ছি। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন পল্লী দারিদ্র্যবিমোচন ফাউন্ডেশন ঋণ দেয়ার কারণেই আজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছি। দূর করেছি দারিদ্র্যতা। দেশে কত না বেকার দরিদ্র রয়েছেন তাদেরকেও খুঁজে বের করা প্রয়োজন। হতদরিদ্রদের কোনো না কোনো কাজ করার জন্য ঋণ দেয়া জরুরি। তবেই দেশ থেকে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব দূর করা সম্ভব হবে। এ ব্যাপারে সরকারের বিভিন্ন বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
লিয়াকত হোসেন খোকন, রূপনগর, ঢাকা।
