আখের দাম পাচ্ছে না নাটোরের চাষিরা

আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:১০
মিলের চিনি বিক্রি না হওয়ায় নাটোরের চাষিরা আখের দাম পাচ্ছে না। অপরদিকে শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন ভাতাও বন্ধ। নাটোর সুগার মিল সূত্রে জানা যায়, গত বছরে উত্পাদিত ৭ হাজার ৩৯০ টনের মধ্যে এখনও ৫ হাজার ৮শ’ টন চিনি গুদামে মজুদ আছে। গত ১৬ নভেম্বর চলতি মৌসুমের উত্পাদন শুরু হয়েছে। ১৬ দিনে ২৪ হাজার ৫৯০ টন আখ মাড়াই করে চিনি তৈরি হয়েছে ১ হাজার ৪২৭ টন। কিন্তু বাজারে চিনির দাম কম থাকায় এ পর্যন্ত ১ কেজি চিনিও বিক্রি হয়নি। এবার মিলে ১২ হাজার টন চিনি উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর জন্য প্রয়োজন হবে ১ লাখ ৬০ হাজার টন আখ। যদিও এবার ২২ হাজার একর জমিতে পাওয়া যাবে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টন আখ। তবে অধিকাংশ আখ মাড়াই করে গুড় তৈরি হওয়ায় চিনিকল প্রয়োজনীয় আখ পাবে না বলে আশংকা করা হচ্ছে। সুগার মিল আখ কিনছে প্রতি মণ ১শ’ টাকা দরে। অথচ গুড় তৈরির জন্য পাওয়ার ক্রাশারের মালিকরা দিচ্ছে ১২০ টাকা মণ। ফলে চাষিরা আখ মিলে দেয়ার চেয়ে ক্রাশার মালিককে দেয়াই লাভজনক মনে করছেন নাটোর সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএম আরশাদ হোসেন জানান, মিল এলাকায় বর্তমানে পাঁচ শতাধিক পাওয়ার ক্রাশার দিয়ে গুড় তৈরি হচ্ছে। প্রশাসনের সহযোগিতায় ক্রাশার বন্ধ করা গেলে প্রয়োজনীয় আখ পাওয়া যাবে। আখের অভাব না হলে উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে। তবে চিনি বিক্রি না হওয়ায় সংকট বাড়ছে। উল্লেখ্য, গত বছর মিলটি প্রায় ১৭ কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে।