প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিজয়ের মাসে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি আজ মাঠে নেমেছে। আর তাদের সাথে মাঠে নেমেছে বিএনপি। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নস্যাত্ করার উদ্দেশ্যে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপে লিপ্ত, তাদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়ায় বিরোধী দলীয় নেত্রীর কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ডিসেম্বরেই পরাজিত শক্তি পাকিস্তানের হানাদাররা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছিল। এতে কী তিনি (খালেদা জিয়া) মনে ব্যথা ও কষ্ট পেয়েছেন? পরাজিত শক্তির প্রতি সহমর্মিতা জানাতেই কী তার এই আন্দোলন? তিনি বলেন, আসলে বিরোধী দলীয় নেত্রী বাঙালি জাতির এমন বিজয় দেখতে চাননি এবং সমর্থন করেন না বলেই বিজয়ের মাসকে তিনি আন্দোলনের জন্য বেছে নিয়েছেন?
কিন্তু দেশের জনগণ বিরোধী দলীয় নেত্রীর এই উদ্দেশ্য কখনো সফল হতে দেবে না বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
গতকাল সোমবার বিকালে মুক্তিযুদ্ধের ৪২তম বিজয় উপলক্ষে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিখা চিরন্তনের পাশে আওয়ামী লীগের অস্থায়ী বিজয় মঞ্চে মাসব্যাপী বিজয় দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মুক্তিযুদ্ধের ৪২তম বিজয় উত্সব জাতীয় উদযাপন কমিটির উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শেখ হাসিনা বিকাল সাড়ে তিনটায় জাতীয় সঙ্গীতের পর বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে আওয়ামী লীগের মাসব্যাপী বিজয় উত্সব কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা বিদেশে টাকা পাচার করেছে, যারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেলতে চায়, যারা সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও জঙ্গীবাদ সৃষ্টি করে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশের স্বাধীনতাকে নস্যাত্ করতে চায়; তাদের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষকে সোচ্চার হতে হবে। এরা যাতে আবার ছোবল না দিতে পারে সেজন্য একাত্তরের মতোই গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে তাদের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, অন্ধকার যুগ থেকে বাংলাদেশ এখন আলোর পথে যাত্রা শুরু করেছে। রাজাকার-আলবদর-স্বাধীনতা বিরোধী ও তাদের দোসরদের সাধ্য নেই বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে পারে।
‘বাংলার জনগণকে কেউ দাবাইয়ে রাখতে পারবা না’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর এই উক্তি উদ্ধৃত করে তার কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের মানুষকে কেউ কখনো দাবিয়ে রাখতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দীর্ঘ ২১ বছর ক্ষমতা দখলকারীরা জনগণকে দাবিয়ে রাখার নানা চেষ্টা করেছে। কিন্তু পারেনি। ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতেও পারবে না। সকল ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত উপেক্ষা করে বাংলাদেশের জনগণ বিশ্বসভায় ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে মর্যাদা নিয়ে দাঁড়াবেই। কেউ তা রুখতে পারবে না।
মুক্তিযুদ্ধের ৪২তম বিজয় উপলক্ষে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিখা চিরন্তনের পাশে আওয়ামী লীগের অস্থায়ী বিজয় মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়ায় বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, কেন, কী উদ্দেশ্যে এবং কার বিরুদ্ধে বিরোধী দলীয় নেত্রী বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে আন্দোলনের কর্মসূচি দিলেন? যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার জন্যই কী তার এই আন্দোলনের কর্মসূচি?
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গতকাল বিজয়োল্লাসে মেতেছিল লাখো মানুষ। দুপুর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শত শত মিছিলের তোড়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও বিজয় অর্জনের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছিল লোকেলোকারণ্য। দলের নেতা-কর্মী, সমর্থক ছাড়াও স্বাধীনতায় বিশ্বাসী সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে বিজয় উত্সবের এই অনুষ্ঠানস্থলটি রীতিমত জনসমুদ্রে রূপ নেয়। সোহরাওয়াদী উদ্যান ছাপিয়ে মানুষের ঢল নামে মত্স্যভবন থেকে শাহবাগ পর্যন্ত। অনেক রাত অবধি হাজার হাজার মানুষকে বিজয় মঞ্চে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রামাণ্যচিত্র ও ‘গেরিলা’ চলচ্চিত্র উপভোগ করতে দেখা যায়।
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভার শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিজয় দিবস উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। আলোচনায় আরো অংশ নেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এমপি। আসাদুজ্জামান নূর এমপির পরিচালনায় প্রথমেই সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের শিল্পীরা ‘বিজয় নিশান উড়ছে ওই’ গানটি পরিবেশন করেন। এরপর আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান নূর কবি নির্মলেন্দু গুণের ‘একটি কবিতা লেখা হবে’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিলো। বিজয় মঞ্চের পেছনটা জুড়ে ছিল বঙ্গবন্ধুসহ চার জাতীয় নেতার ছবি এবং মুক্তিযুদ্ধের সাদাকালো বিশাল স্থিরচিত্র সম্বলিত ব্যাকড্রপ। আর মঞ্চের সামনে বিশাল শামিয়ানা টাঙিয়ে করা হয় কয়েক হাজার লোকের একসঙ্গে বসার ব্যবস্থা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল ক্ষমতায় গেলে আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবো। দেশের নতুন প্রজন্মসহ দেশের জনগণ আমাদের বিপুল ভোট দিয়ে দেশ পরিচালনার সুযোগ দিয়েছে। আমরা সেই বিচারের কাজ শুরু করেছি। দেশের নতুন প্রজন্ম স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসসহ স্বাধীনতা বিরোধীদের কর্মকাণ্ডও জানতে চায়। যারা মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক বাহিনীর দোসর হিসেবে কাজ করেছে, দেশে গণহত্যা চালিয়েছে, মা-বোনের ইজ্জত হরণ করেছে, গ্রামকে গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছে, অর্থ-সম্পদ লুণ্ঠন করেছে নতুন প্রজন্ম তাদের সম্পর্কে আজ জানতে চায়। বাংলার মাটিতে এসব নরঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক তা দেখতে চায়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে তার সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী পঁচাত্তর পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির কথা তুলে ধরে বলেন, দেশের নতুন প্রজন্মের একটি অংশ মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানে না। ’৭৫ পরবর্তী ক্ষমতা দখলকারীরা তাদের সঠিক ইতিহাস জানতে দেয়নি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছিলেন। অনেক যুদ্ধাপরাধী জেলে বন্দীও ছিল। গোলাম আযম গংরা পালিয়ে পাকিস্তানে গিয়ে সে দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করে। বাংলাদেশে তাদের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ক্ষমতা দখলকারী জেনারেল জিয়া মার্শাল ল অর্ডিন্যান্স জারি করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে দেয়, কারাগার থেকে মুক্তি দিয়ে তাদের রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করে এবং পাকিস্তানে পলাতক যুদ্ধাপরাধীদের দেশে ফিরিয়ে এনে নাগরিকত্ব দেয়। মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং লাখো শহীদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানী করে জেনারেল জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রী পর্যন্ত করেন।
সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী পচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরের ঘটনাপ্রবাহ এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার কথা স্মরণ করে বলেন, যখন চারিদিকে তাকিয়ে দেখি কেউ নেই। যখন নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি চলছিল। তখন কাউকে না বলে দিল্লি চলে গিয়েছিলাম। ১৬ দিন ছিলাম। উনি আসতে চান নাই। কাউন্সিল করে তাকে দেশে নিয়ে এসেছিলাম।
মাসব্যাপী বিজয় দিবস উদযাপনে গঠিত জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বাঙালি কোনো দিন পরাজিত হয়নি। বঙ্গবন্ধু পরাজিত হননি, আগামী দিনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাও পরাজিত হবেন না।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, একাত্তরে এ মাসেই আমরা পাকিস্তানিদের পরাজিত করে দেশকে স্বাধীন করেছি। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম, তারা নিজেদের ভাগ্যবান মনে করি। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার দায়িত্ব শেখ হাসিনার। এজন্য তার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। শুধু তাকে বার বার প্রধানমন্ত্রী করার জন্য নয়, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে স্পন্দন গোষ্ঠীর নৃত্যানুষ্ঠান ছাড়াও আব্দুল জব্বার, মিতা হক, শাহীন সামাদ ও সুবীর নন্দীর কণ্ঠের সংগীত পরিবেশন করা হয়। সবশেষে নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মিত চলচ্চিত্র ‘গেরিলা’ প্রর্দর্শন করা হয়। বিজয় মঞ্চে আগামী ৪ থেকে ১৭ ডিসেম্বর প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে অনুষ্ঠান চলবে। এর মধ্যে থাকবে আলোচনা সভা, বঙ্গবন্ধুর ওপর নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী, সঙ্গীত, আবৃত্তি, নৃত্যানুষ্ঠান ও পথ নাটক। এছাড়া ৮ ডিসেম্বর যুবলীগ, ১১ ডিসেম্বর স্বেচ্ছাসবক লীগ, ১৮ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল, ১৯ ডিসেম্বর জাতীয় শ্রমিক লীগ, ২২ ডিসেম্বর যুব মহিলা লীগ, ২৪ ডিসেম্বর তাঁতি লীগ ও ৩০ ডিসেম্বর মহিলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা হবে।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে বিজয় মাসের কর্মসূচি সূচনা করেছেন। গতকাল সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রথমে সরকার প্রধান হিসেবে এবং পরে দলীয় প্রধান হিসেবে ফুল পুষ্পস্তবক অর্পন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছুক্ষণের জন্য নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এ সময় কৃষিন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, মাসব্যাপী বিজয় দিবস উদযাপনে গঠিত জাতীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, ডাক ও টেলিযোগযোগ মন্ত্রী সাহারা খাতুন, খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, সংস্কৃতি মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গওহর রিজভী, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, আহমদ হোসেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, তাঁতী লীগ, যুব মহিলা লীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ফুল দিয়ে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সর্বস্তরের মানুষ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান।
