ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের সময় লাশের পেটে পাওয়া গেছে ১১ প্যাকেট ইয়াবা। প্যাকেটগুলো খুলে প্রতিটি থেকে উদ্ধার করা হয় ২০-২৫টি করে ইয়াবা। ঢামেকের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ গতকাল বেলা ১১টায় জুলহাস মিয়া (৩৪) নামের ওই ব্যক্তির ময়নাতদন্তের সময় তার পেটে এই ইয়াবা পান। এর আগে ৩ এপ্রিল দুপুরে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রিতা (৪০) নামে এক বৌদ্ধ নারীর ময়নাতদন্ত করতে গিয়ে পাওয়া যায় দেড় হাজার ইয়াবা। রিতার গ্রামের বাড়ি টেকনাফে উখিয়া।
ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, সকাল ১১টার দিকে মতিঝিল থেকে আসা জুলহাস নামের একজনের মরদেহের ময়নাতদন্ত করি। তার পেটে ১১ প্যাকেট ইয়াবা পাওয়া যায়। এর মধ্যে কয়েক প্যাকেট ইয়াবা গলে গেছে। গলে যাওয়ার কারণেই তার মৃত্যু হতে পারে। কয়েকটা ইয়াবা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।
মতিঝিল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, শুক্রবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে মতিঝিলের বিশ্বাস টাওয়ারের সামনে একজন ব্যক্তি (জুলহাস) অচেতন অবস্থায় পড়েছিলেন। এ সময় লোকজন তার মাথায় পানি ঢালছিল। সেখান থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিত্সাধীন অবস্থায় গতকাল বেলা ১১টার দিকে তিনি মারা যান। ময়নাতদন্তের জন্য সন্ধ্যায় লাশ ঢামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ওসি বলেন, তারা সন্দেহ করছেন, জুলহাস মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। পাচারের উদ্দেশে হয়তো তিনি ইয়াবা বড়ি পেটে বহন করছিলেন।
