যশোর পলিটেকনিক রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ না করার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিদ্যালয়ের ছয়জন শিক্ষিকা ও দুইজন আয়া আবেদন করেছেন। তারা জানান, যশোরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়টি সরকারি করা হলে এর লেখাপড়ার মান নিচে নেমে যাবে। বেকার হবে আটজন শিক্ষিকা-কর্মচারী।
বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ বিদ্যালয়টির নিজস্ব কোনো জমি নেই। পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের জমির ওপর অবস্থিত। প্রথম অবস্থায় কেবল পলিটেকনিকের শিক্ষক-কর্মচারীদের সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য বিদ্যালয়টি নিজস্ব খরচে চালানোর ঘোষণা দিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়। একই সাথে ঘোষণা ছিল বিদ্যালয়টি কোনদিন সরকারি করা হবে না। কিন্তু পরবর্তীতে বিদ্যালয়টি রেজিস্ট্রেশন লাভ করে এবং চারজন শিক্ষিকা এমপিওভুক্ত হন। এই বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৪শ ছাত্র-ছাত্রী আছে। তাদের কাছ থেকে প্রতিমাসে ২০০ টাকা করে বেতন নেয়া হয়। বেতনের এই টাকা ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য সরকার থেকে যে টাকা পাওয়া যায় তা মিলিয়ে তাদের সরকারি স্কেলের চেয়ে বেশি বেতন দেয়া হয়। এই বর্ধিত বেতন দেয়ার ক্ষেত্রে পলিটেকনিকের কোনো আর্থিক সমস্যায় পড়তে হয় না।
অভিযোগকারীরা জানান, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ করা হবে। এই নীতিমালায় যশোর পলিটেকনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হলে এমপিওভুক্ত ওই চারজন শিক্ষিকা ছাড়া বাকি সবাই চাকরির সুযোগ হারাবেন। অথচ এসব শিক্ষিকারা সবাই যোগ্যতাসম্পন্ন।
