শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের আন্দোলনের মুখে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এদিকে আন্দোলনের কারণে ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা একে একে ক্যাম্পাস ছাড়ছে।
প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে আটকে গেছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নভেম্বর মাসের বেতন। বেতন বিলে স্বাক্ষর না করার অভিযোগে রেজিস্ট্রার এবং কম্পট্রোলারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে আন্দোলনরত ঐক্য পরিষদ।
গত রবিবার আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে ৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন তৃতীয় দফা বৈঠক করেন। বৈঠকে উপাচার্যের পদত্যাগের কোনো ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় তারা তাদের আন্দোলন পুরোদমে চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন রেজিস্ট্রার আবুল বাশার ও কম্পট্রোলার নাজিমউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষর না করায় এখন পর্যন্ত বেতন উঠাতে পারেননি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ফলে তাদের মানবেতর জীবন-যাপন করতে হচ্ছে। এই কারণে রেজিস্ট্রার ও কম্পট্রোলারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। ঐক্য পরিষদ ক্যাম্পাসে অবস্থান ধর্মঘট এবং বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে। দাবি আদায় না হলে তারা কঠোর কর্মসূচি দেবেন বলে জানান। যে সব শিক্ষক কর্মকর্তা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেনি তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসছে না। এ কারণে একদিকে প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা অন্যদিকে ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এতে করে শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল ত্যাগ করছে।
বেতনের ব্যাপারে রেজিস্ট্রার আবুল বাশার বলেন, ‘ক্যাম্পাসে পরিবেশ না থাকার কারণে বেতন দেয়া সম্ভব হয়নি। স্বাভাবিক পরিবেশ তৈরি হলে দ্রুত বেতন পরিশোধ করা হবে।’
