বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবেলায় বিশ্বকে সম্মিলিতভাবে লড়াই করতে হবে। কেউ সন্ত্রাসী ও কাপুরুষোচিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। মুম্বাই হামলায় জড়িত আজমল কাসাবের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনাকে ভারতের জন্য বড় জয় উল্লেখ করে শামসুদ্দিন চৌধুরী বলেন, এ রায় কার্যকর করার মাধ্যমে ভারতও দেখিয়েছে তারা কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে সহ্য করবে না। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীতে আয়োজিত ‘জুরিস্টস অন ইন্টারন্যাশনাল টেরোরিজম’ শীর্ষক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। গত শনিবার ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব জুরিস্ট, অল ইন্ডিয়া বার এসোসিয়েশন ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব জুরিস্টস যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করে। সম্মেলনে সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবেলায় সম্মিলিত বৈশ্বিক প্রচেষ্টা চালানোর আহবান জানান ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম সারির আইনবিদরাও। ভারতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই’র পরিবেশিত সংবাদে একথা বলা হয়েছে। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ফারুক আব্দুল্লাহ। এতে সভাপতিত্ব করেন ভারতের সাবেক প্রধান বিচারপতি ও এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কে জি বালকৃষ্ণ।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ফারুক আব্দুল্লাহ শামসুদ্দিন চৌধুরীর সাথে একমত পোষণ করে সম্মিলিতভাবে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার উপর জোর দেন। আব্দুল্লাহ বলেন, সন্ত্রাসীরা নাজুক সীমান্ত অবস্থার সুযোগ নিয়ে নেপাল হয়ে ভারতে প্রবেশ করছে। এক্ষেত্রে উভয় দেশ ও অন্যরা একে অপরকে সহায়তা না করলে সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবেলা সম্ভব হবে না। আমাদেরকে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরিকল্পনা করে সীমান্তকে নিরাপদ করতে হবে। বিচারপতি কে জি বালকৃষ্ণ বলেন, যেকোন মূল্যে আমাদেরকে নিরীহ মানুষের জীবন রক্ষা করতে হবে। সম্মেলনে আন্তর্জাতিক কাউন্সিল অব জুরিস্টস এর প্রেসিডেন্ট এবং ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব জুরিস্টস এর আহবায়ক আদিশ সি আগারওয়ালও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।
