গত মঙ্গলবার হরতাল চলাকালে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ রাখার দাবি করায় বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের সাথে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় বিএনপি সমর্থিত আইনজীবী নেতা মীর রুহুল আমিন বাবুসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। এছাড়া বার কাউন্সিলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কক্ষ ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনার পর আদালত পাড়ায় অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে। আহত আইনজীবী মীর রুহুল আমিন বাবু জানান, যেকোন দলের হরতালের সময় আদালতে আইনজীবীদের কর্মকাণ্ড স্থগিত রাখার বিষয়ে বার কাউন্সিলের সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু মঙ্গলবার জামায়াতের ডাকা হরতাল চলাকালে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কতিপয় আইনজীবী আদালতে হাজির হয়ে সমিতির রেজুলেশন উপেক্ষা করে মামলার কার্যক্রমে অংশ নেন। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে সদর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চলাকালে পিপি আব্দুর রহমান এবং নারী ও শিশু আদালতের বিশেষ পিপি আব্দুল হামিদ লাভলুর নেতৃত্বে আইনজীবীরা আমাদের ওপর চড়াও হন। এ সময় বহিরাগত কয়েকজন যুবক এসে আমাকে ও আমার সহকর্মী অ্যাডভোকেট নাসিরকে মারধর এবং অন্তত ৮ জন আইনজীবীকে লাঞ্ছিত করে। এছাড়া আমার ও সভাপতির কক্ষে ঢুকে টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর করে। এ ঘটনার পর বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা তাত্ক্ষণিক জমায়েত হয়ে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা জজ আদালতের পিপি আব্দুর রহমান রানা বলেন, হরতালের দিনে মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখার বিষয়ে আইনজীবী সমিতিতে কোন রেজুলেশন নেই। মঙ্গলবার সকালে আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলাকালে মীর রুহুল আমীন বাবুর নেতৃত্বে কতিপয় আইনজীবী এজলাসে ঢুকে আদালতের কার্যক্রমে বাধা দেয়। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের আইনজীবীদের সাথে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হয়েছে। মারপিট বা ভাঙচুরের কোন ঘটনা ঘটেনি।
