লাবণ্যকে চাপা দেওয়া সেই কাভার্ডভ্যানসহ চালক আটক

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০১৯, ০১:১০

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহমিদা হক লাবণ্যকে চাপা দেওয়া সেই কাভার্ডভ্যানটি চালকসহ আটক করেছে পুলিশ। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে সেই চালকের নাম জানানো হয়নি। এদিকে গতকালও লাবণ্যর সহপাঠীরা মানববন্ধন করেন।

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের ডিসি বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, একটি কাভার্ডভ্যান চালকসহ আটক করা হয়েছে। বিষয়টি যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। আজ সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে। এদিকে লাবণ্য নিহতের ঘটনায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে গতকাল দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন তার সহপাঠীরা। প্ল্যাকার্ডগুলোতে লেখা ছিল- ‘৩০০ টাকার  হেলমেট জীবন বাঁচাবে তো?’, ‘আজ নিরাপদে বাড়ি ফিরব তো?’, ‘উবার-পাঠাও চালকদের দক্ষতা পরীক্ষণের আলাদা নীতিমালা চাই’, ‘সাবধান, সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামে নাই’ ইত্যাদি।

মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিইসি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও লাবণ্যর সহপাঠী সারতাজ ইসলাম শোভন বলেন, বেলা পৌনে ১১টার দিকে দুর্ঘটনা ঘটে। ওই সময় কাভার্ডভ্যানের মতো ভারি যানবাহন সড়কে থাকার কথা নয়। অথচ পুলিশের সামনেই ওই কাভার্ডভ্যানটি চলাচল করেছে। কেউ কোথাও আটকায়নি।

লাবিব সাদ ওয়াহিদ নামে বিবিএ শিক্ষার্থী বলেন, ৩০০ টাকার হেলমেট পরিয়ে উবার কিংবা পাঠাওয়ের মতো অ্যাপসভিত্তিক পরিবহন সেবা গ্রহণ কতোটা যৌক্তিক? আমরাও হরহামেশা উঠছি, চলাচল করছি। আমরা চাই ট্রাফিক বিভাগ মানহীন এসব হেলমেট বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধে উদ্যোগ নিক।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় হূদরোগ ইনস্টিটিউটের সামনে একটি কাভার্ড ভ্যান মোটরসাইকেলকে পিছন থেকে ধাক্কা দিলে চালক ও আরোহী রাস্তায় ছিটকে পড়েন। কাভার্ডভ্যানটি আরোহী লাবণ্যকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিত্সকরা মৃত ঘোষণা করেন।