যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে প্রহসন চাই না :ফখরুল

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৩৩
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অবশ্যই আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। তবে ন্যায় বিচার চাই, বিচারের নামে প্রহসন চাই না। যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে তাদের বিচার আমরা চাই। কিন্তু রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে রাজনৈতিক দল নির্মূল করার ষড়যন্ত্রকে কোনোভাবে সমর্থন করতে পারি না। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ৯০’র ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্রঐক্যের উদ্যোগে গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, পদ্মা সেতু দুর্নীতির খবর যখন প্রকাশিত হলো তখন প্রধানমন্ত্রী বললেন, পদ্মা সেতুতে কোনো দুর্নীতি হয়নি। এরপর বিশ্ব ব্যাংক যখন চুক্তি বাতিল করে দিল তখন বাধ্য হয়ে দুদক আবার তদন্ত করলো। এখন শোনা যাচ্ছে এর সঙ্গে দশজন জড়িত। এই একটি কারণেই সরকারের পদত্যাগ করা উচিত দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, তারা বলেছিল পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয়নি। আবুল হোসেন দুর্নীতি করেনি। তিনি দেশপ্রেমিক। এখন দুদক বলছে ডালমে কুছ কালা হ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, সৈয়দ আবুল হোসেন, ড. মসিউর রহমানরা সরকারের প্রধান ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ বলেই দুদক তাদের ’ক্লিন সার্টিফিকেট’ দিয়েছিল। আবুল হোসেনকে বাদ দিয়ে দুদক মামলা করতে চেয়েছিল। কিন্তু বিশ্ব ব্যাংক তা মানেনি। আশা করবো শেষ পর্যন্ত আবুল হোসেনকে মামলায় ঢোকানো হবে। তিনি বলেন, নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থা বাতিল করার বিষয়ে তাদের নির্বাচনী মেনুফেস্টোতে কিছুই ছিল না। কোনো রাজনৈতিক দলের দাবিও ছিল না। জোর করে তারা সংবিধান সংশোধন করেছে। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে জাগপা’র মহাসচিব খন্দকার লুত্ফর রহমান, বিএনপির নাজিম উদ্দিন আলম, ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম, এবিএম মোশাররফ হোসেন, হাবিবুর রহমান হাবিব, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব প্রমুখ বক্তৃতা করেন।