মুক্তিযোদ্ধাদের চাকরির বয়স বৃদ্ধির রিট নিষ্পত্তি

সম্মানি ভাতা বৃদ্ধি ও বিনামূল্যে চিকিত্সা সেবা প্রদানের অভিমত হাইকোর্টের

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৩৮
মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা বৃদ্ধি, তাদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত ৩০ শতাংশ কোটার পূর্ণ বাস্তবায়নসহ কয়েকটি পর্যবেক্ষণ দিয়ে রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকীকে নিয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার মুক্তিযোদ্ধাদের চাকরির বয়স বৃদ্ধি নিয়ে করা রিট নিষ্পত্তি করে এ রায় দেয়। পর্যবেক্ষণে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন, সন্মানী ভাতা দুই হাজার টাকার পরিবর্তে পাঁচ হাজারে উন্নীত করার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া সরকারি হাসতাপালে মুক্তিযোদ্ধাদের বিনামূল্যে চিকিত্সাসেবা প্রদান এবং যানবাহনে হ্রাসকৃত মূল্যে ভ্রমণসেবা নিশ্চিত করতে পর্যবেক্ষণ দেয়া হয়েছে। তবে সম্ভব হলে মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স আরো দুই বছর বাড়ানোর দিকটি বিবেচনা করার কথা বলে আদালত পর্যবেক্ষণ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন রিটকারীর কৌঁসুলি এডভোকেট মুনসুরুল হক চৌধুরী। খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ও লিবারেশন ওয়ার ফোর্সেস রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি জামালউদ্দিন শিকদার হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। তার পক্ষে মুনসুরুল হক চৌধুরী ও রাষ্ট্রপক্ষে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি এটর্নি জেনারেল সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর মামলা পরিচালনা করেন। এদিকে ২১ নভেম্বর সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়সসীমা এক বছর বাড়িয়ে ৬০ বছর করার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।