পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইহুদি বসতি স্থাপনের মধ্য দিয়ে নতুন করে যুদ্ধাপরাধের পরিকল্পনা করার জন্য ইসরাইলকে জবাবদিহি করতে হবে বলে সতর্ক করেছে ফিলিস্তিন। সোমবার জাতিসংঘে পাঠানো এক চিঠিতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফের যুদ্ধাপরাধের পরিকল্পনা করার অভিযোগ করে বসতি স্থাপনের জন্য তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানায় ফিলিস্তিন। পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে স্বীকৃতি পাওয়ার পর জাতিসংঘে পাঠানো ফিলিস্তিনের এটিই প্রথম চিঠি। খবর রয়টার্সের।
জাতিসংঘে ফিলিস্তিন পর্যবেক্ষক রিয়াদ মানসুর চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। এতে বলা হয়, ইসরাইল সহিংস ও আগ্রাসীভাবে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ইচ্ছার বিপরীত আচরণ করছে।
গত বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিন জাতিসংঘের ‘পর্যবেক্ষক অঞ্চল’ থেকে ‘পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের’ মর্যাদা লাভ করে। এরপর শুক্রবার পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে নতুন করে তিন হাজার বসতি স্থাপনের ঘোষণা দেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
জাতিসংঘে পাঠানো ফিলিস্তিনের চিঠিতে আরো বলা হয়, ইসরাইলের এ অবৈধ পদক্ষেপ অতিসত্বর বন্ধ করার জন্য দেশটিকে পরিষ্কার বার্তা পাঠানো প্রয়োজন। অন্যথায় সীমালঙ্ঘন ও শান্তিপ্রক্রিয়া ব্যাহতকারী এসব পদক্ষেপের ফলাফলের দায় তাদেরই নিতে হবে।
পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা পাওয়ায় ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধসহ অন্যান্য গুরুতর অপরাধের অভিযোগ নিয়ে হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে যেতে পারবে ফিলিস্তিন। তবে এ মুহূর্তে আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা না থাকলেও অবৈধ বসতি স্থাপন করলে ইসরাইলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার কথা বিবেচনা করা হতে পারে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিন। পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে প্রায় পাঁচ লাখ ইসরাইলি ও ২৫ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করে।
