শীত আসলেই ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে শিশুদের ত্বকে চুলকানি, খোসপাঁচড়া, একজিমাসহ নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। আর বড়দের সমস্যার মধ্যে হাত-পা ফেটে যাওয়া, মুখ ও ঠোঁটের শুষ্কতা বেড়ে যায়। আজ আমরা শীতে ত্বকের শুষ্কতা নিয়ে আলোচনা করব। ত্বকের শুষ্কতা শিশু ও বড়দের উভয়ের হতে পারে। সাধারণত শিশুদের শীতে ত্বকের খানিকটা বাড়তি যত্ন নেয়া বাঞ্ছনীয়। প্রতিদিন শিশুকে হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করানোর পর যেকোন ধরনের ময়েশ্চারাইজিং লোশন শরীরে ব্যবহার করতে পারেন। তবে যাদের ময়েশ্চারাইজার লোশন ব্যবহারের সামর্থ্য নেই তারা স্বাভাবিক যেকোন তেল ব্যবহার করতে পারেন। পাশাপাশি মুখ ও ঠোঁটে ভ্যাসলিন ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। ছোট-বড় যাদের ঠোঁট ফেটে যায় তারা যেকোন ধরনের লিপজেল বা লিপবাম ব্যবহার করতে পারেন। বড়দেরও প্রতিদিন ময়েশ্চারাইজার লোশন ব্যবহার করা ভালো। এছাড়া অনেকের শীতকালে হাত-পা ফেটে যায়। সেক্ষেত্রে শুধু ভ্যাসলিন বা ময়েশ্চারাইজার লোশন ব্যবহার করলে চলবে না। যেকোন ডার্মাটোলজিস্ট বা স্কিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হতে পারে। স্কিন বিশেষজ্ঞ আপনার হাত-পায়ের ফাটা ক্ষতস্থানের তীব্রতা অনুযায়ী হালকা, মধ্যম বা তীব্রমাত্রার স্টেরয়েড জাতীয় মলম বা ক্রিম ব্যবহার করতে দেবেন। দিনে ২ বার এ ধরনের ক্রিম ২ সপ্তাহ থেকে ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত ব্যবহার করতে হবে। তবে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া স্টেরয়েড ব্যবহার করা উচিত নয়। এছাড়া শীতে মহিলারা ত্বক নিয়ে বেশি সংবেদনশীল থাকেন। মহিলারাও একই ধরনের ত্বক পরিচর্যা করতে পারেন। তবে মহিলাদের শীতে অয়েল বেজ্ড কসমেটিক্স ব্যবহার করা ভালো। এরপরও যদি আপনার ত্বকের সমস্যা থেকে যায় তাহলে আপনার নিকটস্থ কোন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন। ত্বকের সমস্যার জন্য ঢাকায় আসার দরকার নেই। এখন প্রতিটি জেলা শহরেও চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ আছেন। তাদের পরামর্শ নেয়াই ভালো।
