চট্টগ্রামে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার এলাকায় যানজটে জনদুর্ভোগ

আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:১৬
বহদ্দারহাটে ঝুঁকিপূর্ণ ফ্লাইওভারের কারণে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও জনদুর্ভোগ বেড়েছে। অধিকাংশ গার্ডার এখনো ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় কর্তৃৃপক্ষ এই এলাকায় যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। ফলে প্রতিদিন সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। গার্ডার ধসে পড়ে বহু লোক হতাহতের পর ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। প্রায় সোয়া কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ফ্লাইওভারের বেশির ভাগ অংশে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। পথচারীরা পায়ে হেঁটে চলাচল করছে। বিশেষ করে বহদ্দারহাট টার্মিনাল থেকে শাহ আমানত সেতু সংযোগ সড়কে নির্মিত ফ্লাইওভারের বৃহত্ অংশে কয়েকটি গার্ডার মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় এখানে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। সড়কের এক পাশে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অপর অংশে উভয় দিক থেকে যানবাহন চলাচল করছে। ফলে ব্যস্ততম সড়কে ফ্লাইওভারের উভয় পাশে সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। যানবাহন চলাচল কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারছে না ফ্লাইওভার নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান সিডিএ। এ প্রসঙ্গে সিডিএ প্রধান প্রকৌশলী নাছির উদ্দিন মাহমুদ ইত্তেফাককে বলেন, ‘ফ্লাইওভারে গার্ডারের সঙ্গে ক্রস গার্ডার দেয়া হচ্ছে। ফ্লাইওভারের মান যাচাইয়ের জন্য গঠিত কারিগরি কমিটি রিপোর্ট দেয়ার পর নির্মাণ কাজ পুনরায় শুরু হবে।’ সিডিএ সূত্র জানায়, নিজস্ব অর্থায়নে ১০৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ফ্লাইওভারটি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। সম্প্রতি তিন গার্ডার ধসে পড়ে হতাহতের ঘটনার পর গঠিত একাধিক কমিটি নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের গুণগত মান নিয়ে আশংকা প্রকাশ করেছে।