পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে মার্চেন্ট ব্যাংকের অমনিবাস হিসাব পৃথক বিও হিসাবে রূপান্তর সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য আরো ছয় থেকে সাত মাস সময় লেগে যেতে পারে। বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ এ হাফিজ গতকাল বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান।
এ প্রসঙ্গে এ হাফিজ বলেন, এসইসির’র সঙ্গে একটি বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে অমনিবাস হিসাবকে পৃথক বিও হিসাবে রূপান্তর করা সম্ভব নয় বলে বিএমবিএর পক্ষ থেকে এসইসিকে জানানো হয়েছে। এটা করতে আরো অন্তত ছয় থেকে সাত মাস সময় দরকার। এসইসি বিষয়টি ইতিবাচক বিবেচনায় নিবে বলে আমাদের জানিয়েছে। তিনি আরো বলেন, অমনিবাস হিসাবের অধীনে থাকা নন-ডিসক্রিশনারি হিসাব (যে হিসাবে গ্রাহকই সব সিদ্ধান্ত নেন) বন্ধ করা সম্ভব নয়। কারণ এটা আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ও স্বীকৃত একটি পদ্ধতি। এর মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। এটা বন্ধ করা হলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এ দেশে আসবেন না। আর তাই কেবল ডিসক্রিশনারি হিসাবে থাকা দেশি গ্রাহকদের হিসাবগুলো পৃথক বিও হিসাবে রূপান্তর করা হবে। তবে এতে সময় লাগবে।
প্রসঙ্গত, অমনিবাস হচ্ছে একটি বিও অ্যাকাউন্টের আড়ালে অনেকগুলো হিসাব পরিচালনার একটি পদ্ধতি। শেয়ারবাজার ধসের কারণ অনুসন্ধানে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি অমনিবাস অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করার সুপারিশ করেছিল। এর প্রেক্ষিতে গত ৪ নভেম্বর অমনিবাস হিসাব-সংশ্লিষ্ট একটি নির্দেশনা জারি করে এসইসি। ওই নির্দেশনায় মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর সব অমনিবাস গ্রাহকদের হিসাব ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে পৃথক বিও হিসাবে স্থানান্তরের নির্দেশ দেয়া হয়।
