ঐতিহাসিকভাবেই বাঙালি জাতির জীবিকা কৃষিকাজ। এই বদ্বীপের বাসিন্দাদের প্রায় সাড়ে চার হাজার বছরের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এরা অধিকার সচেতন হলেও শিক্ষা-দীক্ষায় ছিল পিছিয়ে। তবে যখনই সুযোগ পেয়েছে তখনই এরা মেধার পরিচয় দিয়েছে। এরা কিছুটা আলসে, উদ্দীপনাবিমুখ ও কম উদ্যমী বলেই মনে করতো তখনকার শাসকরা। এরা কাজের চেয়ে কথা বেশি পছন্দ করে। ষষ্ঠ শতাব্দিতে রাজা শশাঙ্কের আমলেও বাঙালির অধিকার সচেতনতার প্রমাণ পাওয়া যায়। যদিও ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পরই কেবল বাঙালি রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে আসীন হন। পলিমাটির এ বদ্বীপে চাষাবাদ সহজসাধ্য হওয়ায় তারা সৃষ্টিশীল কর্মে আগ্রহী ছিল না। এদের সব চিন্তা-চেতনা নিবদ্ধ ছিল কৃষিকাজে। জীবিকার জন্য নতুন কিছু করার প্রয়োজন পড়েনি। জাতির উন্নয়নে এটাই কাল হয়েছে। দীর্ঘ পরাধীনতার কারণও এটাই। অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দি পর্যন্ত পাল ও সেন বংশের রাজত্বকালে বাঙালি সভ্যতা বিস্তার লাভ করে। চর্যাপদের মাধ্যমে বাংলাভাষার ব্যবহার শুরু হয়। শিক্ষার উন্মেষ ঘটে। ধীরে ধীরে মৃিশল্প, হস্তচালিত তাঁত ও বয়ন শিল্পসহ কুটির শিল্পের বিকাশ ঘটে। মূল্যবান সিল্ক ও মসলিন বস্ত্র উত্পাদন করে। পঞ্চদশ শতাব্দিতে পর্তুগীজ বণিকরা এ দেশের সাথে ইউরোপের বাণিজ্যের প্রসার ঘটায়। সিল্প ও মসলিন বস্ত্র রপ্তানি শুরু হয়। ওলন্দাজ, ফরাসীদের হাত ঘুরে তা অষ্টাদশ শতাব্দিতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পৌঁছায়। এর মধ্য দিয়ে বাণিজ্যেও নুতনত্ব আসে। রপ্তানি বাণিজ্যে যুক্ত হয় পাট ও পাটজাত পণ্য, গুড়, মশলাসহ বিভিন্ন পণ্য।
বাংলাদেশে বস্ত্রশিল্পের ইতিহাস অত্যন্ত প্রাচীন হলেও ১৯৩০-এর দশকে প্রথম বিদ্যুত্ চালিত আধুনিক বস্ত্রশিল্প স্থাপিত হয়। স্পিনিং ও ওয়েভিং সুবিধাসহ কম্পোজিট টেক্সটাইল স্থাপিত হয়। এর পূর্বে হস্তচালিত তাঁতই বস্ত্র তৈরির প্রধান হাতিয়ার ছিল। ধীরে ধীরে হোশিয়ারী ও ডাইং-প্রিন্টিং-ফিনিসিং টেক্সটাইল স্থাপিত হয়। বৃহত্তর ঢাকা এসব শিল্পের প্রাণকেন্দ হয়ে উঠে। দেশের চাহিদা মেটায়। মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের শিল্পখাতও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ধ্বংসলীলার শিকার হয়। স্বাধীনতার পর অধিকাংশ টেক্সটাইল মিলই পরিত্যাক্ত বা বন্ধ অবস্থায় ছিল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার দেশ পুনর্গঠনের সাথে সাথে শিল্পখাতকেও সচল করে। শিল্পগুলোকে রাষ্ট্রায়ত্ত করার মাধ্যমে উত্পাদনে ফিরিয়ে আনে। এর মধ্যে বেশকিছু বস্ত্র মিলও ছিল। যদিও আশির দশকে অধিকাংশ বস্ত্রকলই বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া হয়। সরকারি ও বেসরকারি উত্পাদন দিয়ে দেশের সাধারণ চাহিদার প্রায় পুরোটাই মেটানো হয়। বাংলাদেশ আশির দশকে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো ও যুক্তরাষ্ট্রে জিএসপির আওতায় প্রায় শুল্কমুক্তভাবে তৈরি পোশাক রপ্তানির সন্ধান পায়। শুরুর দিকে তুলা, সুতা, কাপড়, বোতাম, জিপার, সেলাই সুতা ও মেশিনারি সবই আমদানি করা হতো। দেশে শুধু দর্জির কাজটা হতো। এতেই গার্মেন্টস শিল্প মালিকরা বেশ লাভবান হতে থাকে। তখন প্রধানত ওভেন পোশাকই রপ্তানি হতো। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের ওভেন পোশাকের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পায়। নীট পোশাক রপ্তানিও তখন থেকে শুরু হয়। ফলে তৈরি পোশাক রপ্তানি বাড়ে। ১৯৯৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তৈরি পোশাক রপ্তানিতে জিএসপি সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে দেশীয় সুতা ও বস্ত্র ব্যবহারের শর্ত দেয়। এতে উদ্যোক্তারা বস্ত্রশিল্প স্থাপনে উদ্যোগী হয়। অপেক্ষাকৃত বড় মূলধনী বিনিয়োগ বিধায় রপ্তানিমুখী কম্পোজিট টেক্সটাইল স্থাপনে ধীরে ধীরে প্রসার ঘটে। অপরদিকে নিট টেক্সটাইল শিল্প স্থাপনে অপেক্ষাকৃত কম মূলধন লাগে বিধায় অনেক উদ্যোক্তা নিট বস্ত্রশিল্প স্থাপন করে। নারায়ণগঞ্জ কেন্দি ক এ নিট বস্ত্রশিল্প এখন সারাদেশে ছড়িয়ে আছে। নিট পোশাক রপ্তানি এখন ওভেন পোশাক রপ্তানির প্রায় সমান। ২০১১-১২ অর্থবছরে ৯৪৯ কোটি ডলার। অপরদিকে ওভেন গার্মেন্টস রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৯৬০ কোটি ডলার। এছাড়া টেরি টাওয়েলসহ হোম টেক্সটাইল এবং স্পেশালাইজড টেক্সটাইল পণ্য রপ্তানি থেকে ১০৫ কোটি ডলার আয় হয়েছে। ১৯৯৫ থেকে এখন পর্যন্ত প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। দেশীয় চাহিদার একটা বড় অংশও অভ্যন্তরীণ উত্পাদন থেকে মেটানো হচ্ছে। এর সাথে সাথে বস্ত্রশিল্পেরও প্রসার ঘটছে।
মূলত ১৯৯০ দশকের শেষ ভাগ থেকে নিট বস্ত্রশিল্প ও কম্পোজিট টেক্সটাইল শিল্পের প্রসার ঘটতে থাকে। সরকার তখন পোশাক রপ্তানিকারকদেরও ৩০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেয়। রপ্তানিমুখী টেক্সটাইল শিল্প মালিকদেরও নগদ সহায়তা দেয়। তুলা ও যন্ত্রপাতি আমদানি শুল্কমুক্ত করে। তুলাসহ অনেক কাঁচামালের শুল্কমুক্ত আমদানি সুবিধা এখনো বহাল আছে। সরকার দেশি-বিদেশি উত্স থেকে কম সুদে মূলধন যোগাড় করে। অত্যন্ত সম্ভাবনাময় বিধায় টেক্সটাইল খাতে দ্রুত বিনিয়োগ বাড়তে থাকে। এ অগ্রযাত্রা এখনো অব্যাহত আছে। পাশাপাশি বর্তমান সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের প্রায় ১০টি বন্ধ মিল চালু করে। মিলগুলোকে লাভজনক করার উদ্যোগ নেয়। গার্মেন্টস খাতের এ পশ্চাত্ সংযোগ শিল্প প্রসারের সাথে সাথে বোতাম, জিপার, প্যাকেজিং সামগ্রী প্রভৃতি অগ্রসংযোগ শিল্পেরও প্রসার ঘটে। বর্তমানে তৈরি পোশাক খাতের ফরওয়ার্ড লিংকেজ পণ্য চাহিদার প্রায় পুরোটাই দেশীয় উত্পাদন দিয়ে পূরণ করা হচ্ছে। অগ্র ও পশ্চাত্সংযোগ শিল্পের প্রসারের ফলে এখন নিট পোশাকের প্রায় ৯০ শতাংশ মূল্য সংযোজন দেশে হচ্ছে। এর ফলে রপ্তানি আয়ের প্রায় পুরোটাই দেশে থেকে যাচ্ছে। ওভেন পোশাকেও স্থানীয় মূল সংযোজন প্রায় ৪০ শতাংশে উন্নতি হয়েছে। গত অর্থবছর দেশীয় উত্পাদন ছাড়াও প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের বস্ত্র আমদানি করা হয়েছে তৈরি পোশাক খাতে ব্যবহারের জন্য। যদিও দেশীয় টেক্সটাইল খাত ডেনিমসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির বস্ত্র রপ্তানি করে প্রায় ২০০ কোটি ডলার আয় করেছে। টেক্সটাইল বিশেষ করে কম্পোজিট টেক্সটাইল খাতে এ বিশাল চাহিদা অভ্যন্তরীণ উত্পাদনের মাধ্যমে মেটাতে আরো কম্পোজিট টেক্সটাইল মিল স্থাপন প্রয়োজন হবে। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে বর্তমানে প্রায় ১৪০০ টেক্সটাইল মিল আছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০০ স্পিনিং মিল। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির সাথে সাথে সুতা ও বস্ত্রের চাহিদা বাড়ছে। দেশীয় চাহিদাও দ্রুতগতিতে বাড়ছে। জনগণের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ও আয়-রোজগার বাড়ায় তারা পোশাকের প্রতিও নজর দিচ্ছে। তাই বিনিয়োগের ক্ষেত্রে টেক্সটাইল খাত একটি অপার সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে আরো বহু বছর টিকে থাকবে। তদুপরি চীন, হংকং, ভিয়েতনাম, ভারত প্রভৃতি দেশে শ্রমের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় দেশগুলো তৈরি পোশাক রপ্তানিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। বাংলাদেশ বর্তমানে চীনের পরই এশিয়ায় দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। চীনসহ অন্যান্য দেশে তৈরি পোশাক উত্পাদন কমছে। এটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের জন্য ইতিবাচক। পাশাপাশি চ্যালেঞ্জও বাড়বে। কারণ বাংলাদেশের বস্ত্র ও সুতা আমদানির বড় উত্স চীন। বাংলাদেশের বাড়তি চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে চীন বস্ত্র উত্পাদন বাড়াতে চাইবে। তাদের নিজস্ব তুলা, মেশিনারি ও প্রযুক্তি দিয়ে উত্পাদিত পণ্যের সাথে দেশীয় পণ্যকে প্রতিযোগিতা করে টিকতে হলে সরকারকে আরো নীতিগত ও নগদ সহায়তা দিতে হবে। তাহলে টেক্সটাইল শিল্পের প্রসার নিরবচ্ছিন্ন হবে।
পাটশিল্পের ঐতিহ্য চট্টগ্রাম, খুলনা, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ প্রভৃতি অঞ্চলের পুরোনো পাটকলগুলো দেখেই বোঝা যায়। শত শত বছরের পথ পরিক্রমায় উত্থান-পতন হয়েছে। কিন্তু এ শিল্পখাত বিলীন হয়ে যায়নি। শিল্পোদ্যোক্তা ও শ্রমিকরা ধাক্কা খেয়েছেন, লোকসান দিয়েছেন, মিল লে-অফ হয়েছে, শ্রমিক বেকার হয়েছে, কিন্তু হাল ছাড়েননি। তাই বস্ত্র ও পাটশিল্প এখন বাংলাদেশের শিল্পায়নের স্তম্ভ। পাশাপাশি পাটশিল্পও আধুনিক বাঙালি জাতির ঐতিহ্যের অংশ। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এদেশ থেকে কাঁচাপাট স্কটল্যান্ডের ডান্ডি জুট মিলে সরবরাহ করতো। সেখানে পাটের সুতা তৈরি করা হতো। সেই প্রযুক্তি প্রয়োগ করে ঊনবিংশ শতাব্দিতেই এদেশে পাটকল স্থাপিত হয়। তারপর থেকে প্রাকৃতিক তন্তু হিসেবে পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা বাড়তে থাকে। দেশ স্বাধীনের পর অন্যান্য পণ্য রপ্তানির সুযোগ না থাকলেও পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। ১৯৮০র দশকে বিশ্ববাজারে পাটের চাহিদা কমে যাওয়া এবং দেশে সরকারের অবহেলার শিকার হয় পাটখাত। ফলে পাটের দাম মারাত্মকভাবে পড়ে যায়। কৃষক পাটচাষে নিরুত্সাহিত হয়। উত্পাদন কমে যায়। রপ্তানিও ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। বিএনপি সরকার ১৯৯৪ সালে বিশ্বব্যাংকের সাথে জুট সেক্টর অ্যাডজাস্টমেন্ট ক্রেডিট চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ২৪৭ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে। বিনিময়ে বাংলাদেশ লোকসানী পাটকলগুলো বন্ধ করে দেবে। ফলশ্রুতিতে সরকার আদমজীসহ বড় বড় পাটকলগুলো বন্ধ করে দেয়। কিন্তু ঋণ পায় মাত্র ৫২ মিলিয়ন ডলার। পাটজাত পণ্যের বিশ্ববাজার ভারত দখল করে নেয়। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে পাটখাতকে আবার জাগিয়ে তুলতে সচেষ্ট হয়। এক্ষেত্রে বিশ্ববাজারে চাহিদা বৃদ্ধিও সরকারকে সহায়তা করে। সরকার অনেকগুলো বন্ধ পাটকল চালু করে। অনেকগুলো লীজ পরিচালনা করার সুযোগ দেয়। পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি পায়। ২০১০-২০১১ অর্থবছরে তা ১১২ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। যদিও পরের বছর রপ্তানি ৮০ কোটি ডলারে নেমে এসেছে। মন্দার কারণে বিশ্ববাজারে চাহিদা কমে যাওয়া এবং প্রতিযোগী দেশগুলোর আগ্রাসী মনোভাবের কাছে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ার কারণে কিছু কিছু বাজার নষ্ট হয়েছে। এতে পাটচাষিদের লাভ কমেছে। বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ কাঁচাপাট রপ্তানিকারক দেশ। যদিও উত্পাদনের দিক থেকে দ্বিতীয়। অপরদিকে ভারত সর্বোচ্চ পাট উত্পাদনকারী দেশ এবং পাটজাত পণ্যের শীর্ষ গ্রাহকও। তাই ভারত বাংলাদেশের পাটজাত পণ্যের অন্যতম রপ্তানি গন্তব্য হতে পারে। কিন্তু রপ্তানি সে অনুপাতে হচ্ছে না। অপরদিকে ভারত আমাদের কাঁচাপাট কিনে তা দিয়ে পাটজাত পণ্য তৈরি করে বিদেশে রপ্তানি করছে। দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় এ বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেয়া উচিত।
বস্ত্র ও পাটশিল্পের প্রসারের এ ব্যাপক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার ও বেসরকারি খাত উভয়কেই আরো উদ্যোগ নিতে হবে। নতুন নতুন উদ্যোক্তা খুঁজে বের করতে হবে। উভয়শিল্পই উচ্চ মূলধনী বিনিয়োগ বিধায় অর্থসংস্থানে সরকারকে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। আকর্ষণীয় প্রণোদনা নিশ্চিত করতে হবে। গ্যাস ও বিদ্যুত্ সংযোগ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। এখনো দেশের অনেক পাটকল ও বস্ত্রকল বন্ধ আছে। অনেকগুলো লোকসান দিয়ে চলছে। এই বন্ধ কলগুলো খুলে দেয়া এবং লোকসানীগুলো লাভজনক করার লক্ষ্যে মূলধন যোগানসহ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগুতে হবে। রপ্তানি বাজার ধরে রাখা এবং নতুন বাজার সৃজনের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। এ লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি খাতকে একযোগে কাজ করতে হবে। দুটো খাতেই প্রবৃদ্ধি অর্জনের অপার সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিতে হবে।
