ফরিদপুর চিনিকলে পুনরায় আখ মাড়াই শুরু

আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:০৩
ফরিদপুরের মধুখালী চিনিকলে অনিয়ম দুর্নীতির কারণে বিএমআর (নবরূপায়নের) প্রকল্প ভেস্তে যেতে বসেছে। ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত প্রকল্পটির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়া চলতি বছরে আখ মাড়াই অনুষ্ঠানে সরাসরি ব্যবহার করা হলেও উদ্বোধনের মাত্র ৬ মিনিটের মাথায় তা অকার্যকর হয়ে পরে। অবশেষে চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের সদর দপ্তরের কারিকরী সহায়তায় বিএমআর প্রকল্পের স্থাপিত যন্ত্রপাতি অপসারণ করে পুরাতন পদ্ধতিতেই মিলটি চালুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফরিদপুর চিনিকল দৈনিক ১হাজার ১‘শ ৬১ টন আখ মাড়াই করে বার্ষিক ১০ হাজার ১‘শ ৬১ টন চিনি উত্পাদন করবে। চিনিকলটি ১৯৭৪সালে নির্মাণ কাজ শুরু করে। ১৯৭৬-৭৭ সালে পরীক্ষা মূলক উত্পাদনে যায়। মিলের ২০০১ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে জানাযায়, ফরিদপুর চিনিকলের মিল হাউজ ও বয়লিং হাউজের মাড়াই এবং ধারণ ক্ষমতা আছে। কিন্তু ষ্টীমের স্বল্পতা থাকার কারণে মিলের আখ মাড়াই আশানুরূপ বৃদ্ধি করা যাচ্ছে না। বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে মিলটি আধুনিকরনে প্রায় ২৫ কোটি টাকা বরাদ্ধ দেয়। কিন্তু অনিয়ম অদক্ষতা আর দুর্নীতির কারণে সে অর্থ ব্যয়িত হলেও প্রকল্পের কাজে কোন সুফল আসেনি। ৩০ নভেম্বর মিলটি মাড়াই উদ্বোধন করেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদ্য মো. আব্দুর রহমান। তিনি মিলে থাকা অবস্থায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারনে বন্ধ হয়ে যায়। সদর দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. হারেছ আলী জানান, ফরিদপুর চিনিকলের আখ মাড়াই ও চিনি রিকোভারি বৃদ্ধিসহ সচল রাখতে বিএমআর প্রকল্প সম্পন্ন করা জরুরি। তবে তা দক্ষতার সাথে সময় হাতে নিয়ে সম্পন্ন করতে হবে। বিএমআর প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ফরিদপুর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমল কান্তি সরকার বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটির অদক্ষতার কারণে ত্রুটি দেখা দিয়েছে।