পাবনায় অগ্নিকাণ্ডে দুইজনের মৃত্যু, ১৬ দোকান ছাই

আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৪৯
পাবনার বেড়া উপজেলার কাশীনাথপুর বাসস্ট্যান্ডে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে অগ্নিকাণ্ডে দুইজন হোটেল কর্মচারী নিহত হয়েছেন। এ সময় পুড়ে গেছে ১৬টি দোকান। নিহত দুইজন হলেন বেড়া উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের রহমান শেখের ছেলে নবাব আলী এবং সুজানগর উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের আব্দুল করিম শেখের ছেলে আব্দুল জলিল। নবাব আলী বাক প্রতিবন্ধী ছিলেন বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে কাশীনাথপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বাজারে হঠাত্ আগুনের সূত্রপাত ঘটে। আগুন মুহূর্তের মধ্যে দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বেড়া, পাবনা ও শাহাজাদপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে প্রায় চার ঘন্টা চেষ্টার পর সকাল সাতটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। এরই মধ্যে পুড়ে যায় ১৬টি দোকান। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে বেকারি, হোটেল, মুদিখানা, সেলুন ও ফোন ফ্যাক্সের দোকান। আগুন নেভানোর এক পর্যায়ে ভাই ভাই বেকারির পার্শ্ববর্তী ভাই ভাই হোটেলের ধ্বংসস্তূপ থেকে দমকলকর্মীরা আব্দুল জলিল ও নবাব আলীর পুড়ে যাওয়া লাশ উদ্ধার করেন। স্থানীয়রা ভাই ভাই বেকারি ও ভাই ভাই হোটেলের মালিক একই ব্যক্তি হওয়ায় ঐ দুই প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা রাতে ভাই ভাই হোটেলে ঘুমাতেন। ঘটনার সময় হোটেলে ১৮ জন কর্মী ঘুমিয়ে ছিলেন। আগুন লাগার পর ১৬ জন বাইরে বের হতে পারলেও দুইজন বের হতে না পারায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ব্যাপারে বেড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার শফিকুল ইসলাম বলেন, দোকানে তালা লাগানো ছিল কি না সে ব্যাপারটি সম্পর্কে আমরা নিশ্চিত নই। বিষয়টি তদন্ত করা হবে। আগুন নেভানোর একপর্যায়ে ভাই ভাই হোটেলের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আমরা দুইজনের লাশ পাই। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান ব্যবসায়ীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে এক কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে।