এস.এস.সি পরীক্ষার্থী বন্ধুরা মানসিক সুস্থতার উপর পরীক্ষার ভাল ফলাফল নির্ভর করছে। পরীক্ষার সময় মনের ভিতর নানা ধরনের ভয়-ভীতি, অজানা শঙ্কা আসা স্বাভাবিক। এ পরীক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষত্ব হলো- এ পরীক্ষার ফলাফলের উপর নির্ভর করছে ভবিষ্যত উচ্চশিক্ষা অর্জন। কোন কারণে দু’একটি বিষয়ে পরীক্ষা খারাপ হলে কিংবা প্রত্যাশিত না হলে তোমাদের উত্কণ্ঠিত হবার প্রয়োজন নেই। এ বিষয়টি সম্মানিত অভিভাবকদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। এ পরীক্ষার পরবর্তী সময়ে আরও পরীক্ষা আছে- যেখানে তোমাদের ভুল-ত্রুটিগুলো সংশোধনের কিংবা ভাল করার একটা সুযোগ সবসময় থাকবে। সুতরাং তোমরা পরীক্ষা চলাকালীন আত্মবিশ্বাসে বলিয়ান থাকবে। কোনক্রমেই হতাশ কিংবা বিচলিত হবে না।
পরীক্ষার রুটিন অনুযায়ী বিভিন্ন পত্রের পড়াশুনার কিংবা রিভিশনের বিষয়টি পরিকল্পনায় অবশ্যই রাখতে হবে। সাধারণত : পরীক্ষার শুরুটা ভালো হলে হাতের লেখাসহ প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো চমত্কার ও যথার্থ হয়। এক্ষত্রে কাটাকাটি ও বানান ভুল কম হয়। সর্বদা শতভাগ উত্তর করার চেষ্টা করবে। পরীক্ষায় যেহেতু বেশিরভাগ বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্ন থাকবে, সেহেতু এর উত্তর যেন প্রাসঙ্গিক ও সঠিক হয়- সে বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে। গণিতে সৃজনশীল প্রশ্ন না থাকলেও তোমরা সবাই মনোযোগী হবে। গণিতের প্রশ্নের উত্তর নির্ভুল হলে পূর্ণ নম্বর পাওয়ার একটা সুযোগ থাকে, যেটা অন্য বিষয়ের ক্ষেত্রে জোরালোভাবে বলা যাবেনা। অবশ্যই বানান শুদ্ধ ও হাতের লেখা পরিষ্কার হতে হবে। সামগ্রীকভাবে সময়ের ব্যাপারে সতর্ক এবং সচেতন থাকতে হবে। এর মধ্যে শেষের কয়েক মিনিট উত্তরপত্র রিভিশন দেয়ার সুযোগ যেন অবশ্যই থাকে। যাতে করে তোমাদের ছোট-খাটো ভুলত্রুটিগুলি সংশোধন করার সুযোগ পাও। বিশেষ করে গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ভিত্তিক এবং বাংলা ও ইংরেজিসহ গ্রামার সম্বলিত উত্তরগুলো অধিকতর মনোযোগী হয়ে রিভিশন দেবার প্রয়োজন আছে। সৃজনশীল প্রশ্নের ক্ষেত্রে যে চারটি অংশ থাকবে সে বিষয়ে খুব মনোযোগ সহকারে পড়ে উত্তর দিবে। এক্ষেত্রে পাঠ্যপুস্তক বেশি করে চর্চা করতে হবে। সকল প্রকার নোট বই, গাইড বই অবশ্যই পরিহার করতে হবে। মূল বই যত বেশি পড়বে সৃজনশীল ভীতি ততবেশি থাকবে না।
