গতকাল শনিবার হামাসের ২৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করলো গাজাবাসী। এ উপলক্ষে দীর্ঘ ৪৫ বছর পর ফিলিস্তিনের গাজা সফরে এসে এক বিশাল সমাবেশে নেতৃত্ব দিলেন সংগঠনটির নির্বাসিত নেতা খালেদ মিশাল। আর এ সফরকে তিনি তার ‘তৃতীয় জন্ম’ বলে উল্লেখ করেছেন। গত মাসে ইসরাইলের সঙ্গে হামাসের যুদ্ধবিরতির পর তার এ সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। খবর বিবিসি ও আল জাজিরার।
খালেদ মিশাল গত শুক্রবার মিসর থেকে রাফা সীমান্ত দিয়ে গাজা পৌঁছান। এসময় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। তার স্ত্রী বৃহস্পতিবার গাজা পৌঁছান। খালেদ মিশাল এক বিবৃতিতে বলেন, এটি তার তৃতীয় জন্ম। এর আগে দ্বিতীয় জন্ম হয় ১৯৯৭ সালে জর্ডানে যখন তিনি ইসরাইলের গুপ্তঘাতকদের হামলা থেকে বেঁচে যান। তার প্রকৃত জন্ম ১৯৫৬ সালে। তার চতুর্থ জন্ম হবে সেইদিন যেদিন ফিলিস্তিন স্বাধীন হবে। ১৯৬৭ সালে ১১ বছর বয়সে গাজা ছেড়ে তিনি আবার তার জন্মভূমিতে ফিরলেন গত শুক্রবার। গতকালের সমাবেশে প্রায় এক লাখ লোকের সমাগম ঘটে। সংগঠনটির সামরিক কমান্ডের এক মুখপাত্র জনতার সামনে ইসরাইলের উদ্দেশে বলেন, যুদ্ধে আমাদের ক্ষমতার মাত্র ১০ শতাংশ ব্যয় করেছি। তোমরা আক্রমণ বৃদ্ধি করলে আমরাও করব। আমাদের জনগণ এবং নেতাদের বিরুদ্ধে যারা আগ্রাসন চালাবে তাদের হাত কেটে দেবো।
গত সপ্তাহে জাতিসংঘে ‘পর্যবেক্ষক অঞ্চল’ থেকে ‘পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রে’র মর্যাদা পায় ফিলিস্তিন। এজন্য মিশাল ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে অভিনন্দন জানান মিশাল। ২০০৭ সালে ফাতাহ আন্দোলনকে নির্বাচনে হারিয়ে ইসলামী এই গোষ্ঠীটি ফিলিস্তিন শাসন করছে।
