যদিও পুলিশের তালিকায় উল্লে¬খযোগ্য কোন রমনীর নাম নেই। তার পরও পুলিশ হন্যে হয়ে খুঁজছে কোন কোন রমনীর চরমপন্থি কানেকশন রয়েছে। ইতিমধ্যে র্যাব-৬ গাংনী ক্যাম্পের সদস্যরা ২ ডিসেম্বর অভিযান চালিয়ে গুলি ভর্তি একটি আমেরিকান তৈরি অত্যাধুনিক পিস্তলসহ সন্ত্রাসী শিখাকে (২৫) আটক করেছে। এ সময় সালামের ব্যবহূত মানিব্যাগ, মালেশিয়ান রিংগিত ও ২টি ডাইরি উদ্ধার করে। আটক শিখা সন্ত্রাসী সালামের স্ত্রী। র্যাব জানায়, সে গাংনী উপজেলার বামুন্দী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান বেল্টু হত্যার সাথে জড়িত।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, মেহেরপুর অঞ্চলে ১০টি চরমপন্থি সংগঠন ছাড়াও বেশ কয়েকটি গ্যাং রয়েছে। এ সকল গ্রুপের নেতা-কর্মীরা ক্রসফায়ার ও গ্রেফতার আতঙ্কে থাকার কারণে মহিলা ও শিশুদের ব্যবহার করছে। বিভিন্ন ব্যক্তিকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তারা কৌশলে চাঁদা আদায় ও হত্যা করে। যার প্রমাণ মিলেছে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায়। কুষ্টিয়ার মুক্তি টগর বাহিনীর লোকজন আলমডাঙ্গার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনোয়ার হোসেনকে অপহরণ করতে ব্যবহার করে সুন্দরী রমনী কোবরাকে। প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাকে গুম করা হয়। ক্যাডারদের মনোরঞ্জনের বিষয়টিও উপেক্ষিত নয়। গাংনীর বাথানপাড়া গ্রামের কুমকুম আলমডাঙ্গার মোচাইনগরের রেজুর দেহরক্ষী হিসেবে থেকে একইভাবে তথ্য আদান প্রদান করছে বলেও প্রকাশ। বেশ কিছু দিন ধরে কুমকুম সুন্দরী মেয়েদের নিয়ে এলাকায় ঘোরা ফেরা করছে বলে প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তবে তার বিরুদ্ধে সু-নির্দিষ্ট কোন অভিযোগ না থাকায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারছে না।
অপরদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার কয়েকজন জানালেন, লাল পতাকার নেতা ক্রসফায়ারে নিহত জিনারুলের স্ত্রী ভাংবাড়িয়ার বিলকিস, হাউস ওরফে লিপুর স্ত্রী হাজেরাসহ অনেকেই গোপন সংগঠনে যোগ দিয়েছেন। এছাড়াও চরমপন্থি নেতা কারাগারে আটক রানার স্ত্রীকেও এলাকায় দেখা গেছে। তবে কোন নাশকতা কর্মকান্ডে লিপ্ত আছে কিনা তা জানা যায়নি। সীমান্ত এলাকার দুখু বাহিনী ও সেভেন স্টার গ্যাংয়ে বেশ কিছু মহিলা সদস্য রয়েছে বলে জানা গেছে। সামপ্রতিককালে কুষ্টিয়ায় মহিলা চরমপন্থি আঁখি ও চুমকি ভারী অস্ত্রসহ গ্রেফতার হবার পর প্রশাসনের টনক নড়ে। পুলিশের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, গাংনী এলাকার গৃহবধূ ও তপনের গার্ল ফ্রেন্ড ফেন্সি ও কুমকুমের বিষয়টি কোন তথ্য প্রমাণ নেই। তবুও তাদের প্রতি নজরদারি চলছে। এছাড়াও ক্রসফায়ারে নিহত কিংবা কারাগারে থাকা চরমপন্থিদের স্ত্রী ও পরিবারের মহিলা সদস্যদের প্রতি গোপন তদন্ত চালানো হচ্ছে। কোন ক্লু পেলে তাদের জিজ্ঞাসা করা হবে।
