দীর্ঘদিন সাধনার পর ১৯৫৩ সালের ২৯ মে মানুষ এভারেস্ট জয় করে। তারপর এক এক করে এভারেস্টে অনেক মানুষ তাদের পদচিহ্ন এঁকে দেয়। এভারেস্ট আমাদের ঘরের কাছে হলেও আমরা বাঙালিরা এভারেস্টমুখো হয়েছি এইতো সেদিন। তবে একদিনেই আমাদের দুজন নারী এভারেস্ট জয় করেছেন। প্রথম নারী এভারেস্ট জয়ী নিশাত মজুমদার বলেন, তিনি যখন পর্বত আরোহন শুরু করেন তখনকার অবস্থা আর এখনকার অবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্ন। শুরুর দিকে অনেকেই তার এই কর্মকান্ডকে পাগলামি কিংবা মেয়ে হয়ে এমন কাজ করা নিরর্থক মনে করলেও এখন সবাই উত্সাহ দেন। অনেকে তাদের মেয়েকে পর্বতারোহী করার জন্য নিশাতের সাথে যোগাযোগ করে। নিশাত মনে করেন, একজন পর্বতারোহীকে ধ্যর্য নিয়ে পথ চলতে হয়। কারণ এখানে সফল হতে দীর্ঘদিন সময় লাগে। নিশাত মনে করেন, ইউরোপীয়দের মতো আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরাও অদূর ভবিষ্যতে দল বেঁধে এভারেস্ট অভিযানে যাবে। আর অনেক এভারেস্ট জয়ী নারী থাকবে এ দেশে। বাংলাদেশের নারী প্রগতির ৪০ বছর উদযাপনের অংশ হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি শীর্ষ পর্বতচূড়া জয় করার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন। ওয়াসফিয়া স্বপ্ন দেখেন, তার পথ ধরে আরও অনেক নারী এভারেস্ট জয় করবেন। তিনি নারীদের এভারেস্ট জয়ের সহযোগিতাও করতে চান।
