নীলফামারীতে বুড়ো বর কিশোরী কনে

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:১৮
৭২ বছর বয়সেও বিয়ের খায়েস মেটেনি হাজী সামসুল আলমের। ঘরে ৩ স্ত্রী ও ৬ সন্তান থাকার পরেও ১৪ বছর বয়সী সুমি বেগমকে ৪র্থ স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ করায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, দিনাজপুর শহরের মাথিনপুর গ্রামের প্রভাবশালী হাজী সামছুল আলমের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ নেয় নীলফামারী সদর উপজেলার গুড়গুড়ি গ্রামের দিনমজুর মফেল উদ্দিনের কন্যা সুমি বেগম (১৪)। সুমির বাবা-মা জানায়, গত ৬ ডিসেম্বর সকালে দিনাজপুর থেকে হাজী সামছুল আলম সুমিকে নিয়ে তাদের বাড়িতে আসেন এবং এখানে রাত্রিযাপনের কথা বলে বেরিয়ে যান। সন্ধ্যায় তিনি কাজী নিয়ে আসেন সুমিকে বিয়ে করার জন্য। এক পর্যায়ে টাকার বিনিময়ে সুমিকে বিয়ে দিতে রাজী হয়ে যান সুমির মা-বাবা। বিয়ে পাগল হাজী সামছুল আলম মাত্র কুড়ি হাজার টাকা দেনমোহরে কিশোরী সুমিকে বিয়ে করেন সে রাতেই। এদিকে খবর পেয়ে হাজী সামছুল আলমের দ্বিতীয় স্ত্রী শাহিদা বেগম সুমিদের বাড়িতে এলে তাকে বেদম মারপিট করেন হাজী সামছুল আলম। আর এতেই ফাঁস হয়ে যায় সামছুল আলমের কীর্তিকলাপ। স্ত্রী শাহিদা বেগমের কাছ থেকেই এলাকাবাসী জানতে পারেন তার অপর দুই সতিন আছিয়া বেগম ও সামছুন্নাহার ছাড়াও ৬ সন্তানের কথা।