গুরুদাসপুরে প্রতিবন্ধীর ফসল জোতদারের ঘরে

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:১৮
২০ বছর ধরে ভোগদখল করে খাচ্ছিল জমিটি। এবার আমন ধানও ভাল হয়েছিল। আশায় বুক বেঁধেছিল অসহায় প্রতিবন্ধী পরিবারটি। কিন্তু পাকা ধান আর ঘরে তুলতে পারেনি। জোর করে জমির সব পাকা ধান কেটে নিয়ে গেছে প্রভাবশালীরা। নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খাঁকড়াদহ গ্রামে সমপ্রতি ঘটনাটি ঘটে। জানা গেছে, ওই গ্রামের কসাই প্রামানিকের আট সদস্যের পরিবারের ৫ জনই প্রতিবন্ধী। সংসারের আয় রোজগার নেই। পরিবারটির দৈন্যদশার কথা বিবেচনা করে সরকার ১৯৯২ সালে কবুলিয়াত দলিলমূলে ৩৮ শতাংশ জমি প্রতিবন্ধী পরিবারের নামে বরাদ্দ দেয়। পরিবারটি খারিজ-খতিয়ান করে নিয়মিত খাজনাদি পরিশোধ করে ভোগদখল করছিল জমিটি। কসাই প্রামানিকের ছেলে রবিউল জানায়,সরকারের বরাদ্দ দেয়া জমিটি চাষ করে কোনরকমে বেঁচে আছি। এবার ওই জমিতে তারা আমন ধান বুনেছিল। ধানও ভাল হয়েছিল। কিন্তু ধারাবারিষা গ্রামের জোতদার তমিজউদ্দিন, আনছার, বিষু ও বাটুল দলবল নিয়ে ওই জমির পাকা ধান জোরপূর্বক কেটে নিয়ে যায়। প্রতিবাদ করেও কাজ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মতিনের কাছে অভিযোগ করেও বিচার পায়নি প্রতিবন্ধী পরিবারটি।