এনজিও সংস্থা ভার্ক কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন উখিয়া-টেকনাফ শরণার্থী ক্যাম্পে ১৯ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় বরাদ্দে ২১টি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উন্নয়নের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালী ঠিকাদার। এ ঘটনা নিয়ে পরস্পর বিরোধী অভিযোগ উঠেছে। উখিয়াস্থ এনজিও সংস্থা ভার্কের প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর মান্না সরকার জানান, চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে ২১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন কাজের জন্য ঠিকাদার নিয়োগের টেন্ডার আহবান করা হয়েছে। গত ৫ ডিসেম্বর আবেদনকারী ঠিকাদারদের মধ্যে সর্বনিম্ন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক শামশুল আলম সওদাগরকে কাজ দেয়া হয়। তিনি নীতিমালা অনুযায়ী উক্ত কাজ করতে গেলে স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ঠিকাদার বাধা প্রদান করে। যার ফলে নির্মাণ কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে।
ঠিকাদার শামশুল আলম জানান, স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ঠিকাদার জোরপূর্বক টেন্ডার ছিনতাই করে কাজ আদায় করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে সংশ্লিষ্টরা সর্বনিম্ন দরদাতা হিসাবে আমাকে কাজ করার অনুমতি দিলে উক্ত ঠিকাদারেরা ক্ষেপে গিয়ে স্কুল নির্মাণ কাজে বাধা প্রদান করে। তারা আমার শ্রমিকদের হুমকি দিচ্ছে। যার ফলে প্রদত্ত কাজ শুরু করতে আমি বার বার বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছি। এতে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। স্থানীয় ঠিকাদার সালাহ উদ্দিন জানান, সংশ্লিষ্ট ভার্ক কর্মকর্তা সরকারি নীতিমালা অনুসরণ না করে একতরফাভাবে কাজ করার অনুমতি দিয়েছে। যা সরকারি উন্নয়ন কাজের নীতিমালা বহির্ভূত। তিনি অভিযোগ করে জানান, উক্ত টেন্ডার পুনরায় যাচাই-বাছাই করে দরপত্রদাতা সকল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতিতে কাজ প্রদানের জন্য ভার্ক কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি আগামী রবিবার এ বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সবার উপস্থিতিতে কাজ প্রদানের আশ্বাস দেন।
