প্রথমে পুরো মুখ, তারপর চোখ ও শেষে সাজান ঠোঁট। ত্বকে দাগ না থাকলে মুখে কোনো ফাউন্ডেশন দেওয়ার দরকার নেই। সরাসরি ব্লাশ-অন হিসেবে জেল ব্লাশার দিয়ে নিন। ত্বকের দাগ ঢাকতে ত্বকের ধরন বুঝে ব্যবহার করতে পারেন স্টিক, ক্রিম-টু পাউডার বা ক্রিম-টু ময়েশ্চারাইজার ফাউন্ডেশন। ক্রিম-টু পাউডার ফাউন্ডেশন ভেজা স্পঞ্জ দিয়ে ত্বকে মেশাতে পারেন। মুখে ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার দিয়ে পাঁচ মিনিট পর ফাউন্ডেশন লাগালে তা ভালো বসবে ত্বকে। এর পরও দরকার হলে লাগাতে পারেন কনসিলার। এরপর লাগান ক্রিম ব্লাশ-অন। চাইলে শিমার দিতে পারেন ব্লাশ-অনের ওপর শুধু গালের হাড়ে। এক পরত লুজ পাউডারের পোঁচে শেষ করুন ত্বকসাজ। এবার চোখের সাজে ভুরুর নিচে সোনালি, রুপালি বা অফ হোয়াইট আই শ্যাডো দিন হাইলাইটার হিসেবে। বেছে নিন চিকচিকে (শিমার) ধরনের আই শ্যাডো। দুই-তিন রং আই শ্যাডো মিলিয়ে দিতে পারেন। অথবা কম সময়ে মেকআপ করতে চাইলে শুধু বাদামি শ্যাডো দিয়ে মাশকারা, ওপর পাতায় আইলাইনার, নিচে কাজল দিয়ে নিন। ঠোঁট সাজাতে আগে লিপলাইন করুন। তরুণীদের ভালো লাগবে ফ্রস্টেড লিপস্টিক বা লিপ গ্লসে। শুধু গ্লসে চটচটে ভাব হয় অনেকের। গ্লস দেওয়ার পর বরফ ঘষে নিলে তা কেটে যাবে ও দীর্ঘস্থায়ী হবে। লিপস্টিকের ওপরও গ্লস দেওয়া যেতে পারে। ব্লাশ-অন, শ্যাডো, লিপস্টিক, লিপ গ্লসের জন্য পিচ, গোলাপি, ব্রাউনের হালকা শেডগুলো সব রঙের পোশাকের সঙ্গে মানানসই। চোখের সাজকে ফুটিয়ে তুলতে পারেন নানা ধরনের মাশকারা যেমন—থিকেনিং, ভলিউমাইজিং, কারলিং ও অন্য রং যেমন নীল মাশকারার ব্যবহারে। ব্যস, সালোয়ার-কামিজে পার্টি সাজে আপনি একদম তৈরি!
