রেল ইঞ্জিন ক্রয়ে সরকারি উদ্যোগে টিআইবির উদ্বেগ

আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৩৮
ক্রয় আইন ও ক্রয়বিধি উপেক্ষা করে পূর্ব নির্ধারিত একটি কোম্পানির কাছ থেকে রেল ইঞ্জিন ক্রয়ে সরকারি উদ্যোগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। এ ক্ষেত্রে যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণের দাবি জানিয়েছে দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটি। গতকাল সোমবার এ বিষয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, রেল ইঞ্জিন ক্রয়ে দরপত্রে উদ্দেশ্যমূলকভাবে আরোপিত শর্তের কারণে কেবল একটি কোম্পানি এই দরপত্রে অংশ নিতে পারবে যা সরকারি ক্রয় আইনের ধারা ১৫, ক্রয়বিধির উপধারা ২৯ ও আন্তর্জাতিক দরপত্রের বৈশিষ্ট্যের পরিপন্থি। ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী এই মিটারগেজ ইঞ্জিনের মডেল অনেক পুরনো, জ্বালানি ব্যয় বেশি এবং দুই স্ট্রোকবিশিষ্ট হওয়ায় এটি পরিবেশবান্ধবও নয়। অতীত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পূর্ব নির্ধারিত একটি প্রতিষ্ঠান থেকে দুই স্ট্রোকবিশিষ্ট ইঞ্জিন ক্রয়ের সিদ্ধান্ত যুক্তিযুক্ত ও আইনসঙ্গত নয় বরং দূরভিসন্ধিমূলক। বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রেলওয়েতে নিয়োগ বাণিজ্য সংক্রান্ত কেলেঙ্কারির ঘটনায় রেল খাত এমনিতেই নাজুক অবস্থায় রয়েছে। পাশাপাশি পদ্মাসেতু প্রকল্প, হলমার্ক, সোনালী ব্যাংক, ডেসটিনি, শেয়ারবাজার ইত্যাদির মত বড় ধরনের দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরকার সার্বিকভাবে আস্থার সংকটের সম্মুখীন।