হরতালের কারণে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউসে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম হলেও গতকাল মঙ্গলবার দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক বেড়েছে প্রায় ৪০ পয়েন্ট। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচক বেড়েছে প্রায় দেড়শ পয়েন্ট। গতকাল লেনদেনের শুরুতে ডিএসইতে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে সূচক বাড়তে শুরু করে। অন্যদিকে দেশের উভয় শেয়ারবাজারেই লেনদেন আগের দিনের চেয়ে কমে গেছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইতে ২৬৮টি কোম্পানির ৫ কোটি ১৩ লাখ ৮০ হাজার ৪২৮টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ১৬০ কোটি ২২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৫০ কোটি ২০ লাখ টাকা কম।
ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৯ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৪৮ দশমিক ৫৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৪১ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৩৭৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। গতকাল ডিএসইতে লেনদেনকৃত ২৬৮টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২১৮টির, কমেছে ৪৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫টি কোম্পানির শেয়ার।
লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো:ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, ইউনিক হোটেল, এনভয় টেক্সটাইল, জেনারেশন নেক্সট, এনবিএল, বিএসসিসিএল, ইউসিবিএল, এইমস ১ম মি. ফা., আর এন স্পিনিং ও ইসলামী ব্যাংক।
দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো ১ম প্রাইম ফাইন্যান্স মি. ফা., এইমস ১ম মি. ফা., গ্রামীণ স্কীম ২, গ্রামীণ ১, আইসিবি এমপ্ল¬য়ী মিউ. ফা-১ স্কীম ১, ট্রাস্ট ব্যাংক ১ মিউ. ফা., আইএফআইসি ১ম মি. ফা., আইসিবি ১ম এনআরবি ও ডিবিএইচ ১ম মি. ফা.। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো:সোনালী আঁশ, জেমিনি সী ফুড, সাভার রিফ্রেক্টরিজ, রেকিট বেঙ্কাইজার, সমরিতা হাসপাতাল, এনটিসি, জিলবাংলা সুগার, ইমাম বাটন, বাটা সু কোং লিঃ ও মুন্নু স্টাফলার।
অন্যদিকে গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সূচক আগের দিনের তুলনায় ১৪৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৪২০ পয়েন্টে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৬০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৮টির, কমেছে ৩৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। সিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২২ কোটি টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে সাত কোটি টাকা কম।
