সৈয়দপুর, নীলফামারী ও কাজীপুরের মানুষ শীতে কাহিল অবস্থায়

আপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৩১
সৈয়দপুর গত কয়েকদিন থেকে সূর্যের মুখ দেখতে পায়নি সৈয়দপুর উপজেলার মানুষ। ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার দাপটে হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে সৈয়দপুরের ৫ লাখ মানুষ। সারাদিন ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে চারদিক। গত কয়েকদিন ধরে রাত ৯টার পর থেকে পরদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মতো কুয়াশাপাত হচ্ছে। সেইসঙ্গে বইছে হিমেল বাতাস। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীতের দাপট থেকে বাঁচার চেষ্টা করছে মানুষ। শীতে কাঁপছে হিমালয়ের কোলঘেঁষা দারিদ্র্য নিপীড়িত সৈয়দপুর উপজেলার ৫ লাখ মানুষ। শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বৃদ্ধ ও শিশুরা। দিনভর প্রচণ্ড শীতের ফলে ক্ষেতমজুর ও শ্রমজীবীরা কাজ করতে না পেরে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকছে। অপরদিকে বিপাকে স্কুলগামী ছেলে-মেয়েরা।। নীলফামারী টানা ৪দিনের শৈত্যপ্রবাহ আর কনকনে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা বাতাসে নীলফামারীর জনজীবন কাবু হয়ে পড়েছে। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মতো ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ভয়াবহ এ শীত মোকাবেলায় সরকারী প্রস্তুতি একেবারে অপ্রতুল। ত্রাণমন্ত্রণালয় থেকে জেলার কয়েক লাখ শীতার্ত মানুষের জন্য এখন পর্যন্ত মাত্র ৩২৩৬ পিস কম্বল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। জেলা ত্রাণ বিভাগ জানায়, এরই মধ্যে তা বিতরণ করা হয়েছে, তবে নতুন করে চাহিদাপত্র দেয়া হয়নি। অপরদিকে জেলা পরিষদ প্রশাসক এ্যাড. মমতাজুল হক ও পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ জেলার শীতার্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ শীতবস্ত্র বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন। কাজীপুর (সিরাজগঞ্জ) গত কয়েকদিনের ঘন কুয়াশা, শৈত্যপ্রবাহ এবং হাড় কাঁপানো শীতে কাজীপুরের মানুষ বিপর্যস্ত। গতকালও সূর্যের মুখ দেখা যায়নি, ছিল ঘন কুয়াশা। শীতের তীব্রতায় নারী,শিশু, বৃদ্ধ সর্দি, কাশিসহ ঠাণ্ডাজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে