বড় মঞ্চ স্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্য

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০১৯, ২১:১১

স্পোর্টস রিপোর্টার

বাংলাদেশের চার শীর্ষ ক্রিকেটার এবার যার যার চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন। ২০০৭ ও ২০১৫ সালে এই চার ক্রিকেটার বড় মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করেই বিশ্বকে চিনিয়েছেন। গতকাল মুশফিক বললেন, আরেকবার বড় মঞ্চটাকে স্মরণীয় করে রাখতে চান তারা।

বিশ্বকাপে নিজেদের লক্ষ্য নিয়ে বলতে গিয়ে মুশফিক বলছিলেন, ‘বিশ্বকাপ তো অবশ্যই অনেক বড় মঞ্চ। আর আমরা তিন-চারজন আছি আমাদের চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছি। আমাদের ইচ্ছে আছে এটাকে স্মরণীয় করে রাখার ও শেষ পর্যন্ত যাওয়ার। আমার মনে হয় এটা অসাধ্য কিছুই না।’

মুশফিক মনে করেন, বিশ্বকাপে ভালো একটা কিছু করা তার নিজের জন্যই অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। তার নিজের কিছু লক্ষ্যও আছে এবারের বিশ্বকাপের জন্য। তিনি বলেন, ‘এটা আমার জন্য অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ। কারণ চতুর্থবারের মতো আমি খেলতে যাচ্ছি। শেষ তিনটি বিশ্বকাপে আমি রান করেছি। আমার নিজেরও একটা ব্যক্তিগত লক্ষ্য আছে। এই বিশ্বকাপে যেন সবকিছুকে ছাপিয়ে যেতে পারি। আমি মনে করি, সুযোগ এবং সামর্থ্যও আছে। আমি সেভাবেই চেষ্টা করব।’ এই বিশ্বকাপের প্রস্তুতির সময়ে স্বাভাবিক ভাবেই ২০০৭ বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ চলে আসছে। সেই আসর দিয়েই নিজেকে চিনিয়েছিলেন মুশফিক। সেই স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মুশফিক বলছিলেন, ‘২০০৭ পুরোটা আসলে ঘোরের মধ্যেই ছিলাম। কখন যাবো, কখন খেলব— অনেক ইয়াং ছিলাম। এত বড় স্টেইজ, আর গ্রেট গ্রেট প্লেয়ার ছিল তখন। শচিন টেন্ডুলকার বলেন, ব্রায়ান লারা বলেন, পন্টিং বলেন, তাদের সাথে খেলা যাদের টিভিতে দেখেছি তাদের সাথে খেলা— এগুলো অনেক রোমাঞ্চিত ছিল। তবে এখন যারা খেলছে ওরা অনেক ম্যাচিউরড। রাহি ছাড়া বাকিরা বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে। এই অভিজ্ঞতাগুলো একটু হলেও কাজে দেবে। উপভোগ করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

মুশফিকের অবশ্য বিশ্বকাপে একটা অপূর্ণতা আছে। বেশ কিছু ভালো ইনিংস খেলেছেন। কিন্তু এই আসরে কোনো সেঞ্চুরি নেই তার। সেটা পূরণের চেষ্টা মুশফিক করবেন। তবে তার কাছে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলাটা বেশি জরুরি এবং মাইলস্টোন সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের টপ-অর্ডারে যারা আছে, সবাই চেষ্টা করে বড় ইনিংস খেলার। আমিও করি, আর আমি সবসময় বিশ্বাস করি— ম্যাচ জেতানোর ক্ষেত্রে যে রানটা দরকার আমি সেটাই করতে চাই। বড় ইনিংস খেলার সুযোগ এলে আমি তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করবি। বড় কিছু করার জন্য, স্মরণীয় কিছু করার জন্য চেষ্টার কোনো কমতি থাকবে না।’