বিশ্বখ্যাত সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্করকে সঙ্গীতে আজীবন অবদানের জন্য মরণোত্তর সম্মাননা দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে গ্র্যামি কর্তৃপক্ষ। সংগীতাঙ্গনের সর্বোচ্চ পুরস্কার-গুলোর মধ্যে অন্যতম গ্র্যামি পুরস্কার কর্তৃপক্ষ বুধবার এ ঘোষণা দিয়েছে। খবর এনডিটিভির।
মঙ্গলবার ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়াগোর একটি হাসপাতালে মারা যান এই সঙ্গীতগুরু। তার বয়স হয়েছিলো ৯২ বছর। এর আগেও তিনবার গ্র্যামি পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি। গ্র্যামি’র মুখপাত্র স্টেফানি শেল জানান, মৃত্যুর আগেই আজীবন সম্মাননার জন্য মনোনীত হন পণ্ডিত রবিশঙ্কর। গত সপ্তাহেই এ পুরস্কারের কথা নিশ্চিত করা হয় তাকে। গ্র্যামি’র ওয়েবসাইটে ভারতীয় এ সঙ্গীতজ্ঞের সংক্ষিপ্ত জীবনীতে বলা হয়, বিশ্বখ্যাত সেতারবাদকদের অন্যতম রবিশঙ্কর আন্তর্জাতিক সঙ্গীতাঙ্গনের সত্যিকারের প্রতিনিধি ছিলেন। একজন শিল্পী, সুরকার, শিক্ষক ও লেখক হিসেবে ভারতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে পশ্চিমাদের পরিচয় করিয়েছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এই সেতারশিল্পী। বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার প্রতিবাদে জনমত গড়ে তুলতে এবং বাংলাদেশের শরণার্থীদের সাহায্যের জন্য বিটলসখ্যাত শিল্পী জর্জ হ্যারিসনকে সঙ্গে নিয়ে নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে তিনি আয়োজন করেন ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’। রবিশঙ্করকে ‘বিশ্বসংগীতের ধর্মপিতা’ বলে অভিহিত করেছিলেন জর্জ হ্যারিসন।
১৯২০ সালের ৭ এপ্রিল ভারতের বারানসিতে জন্মগ্রহণ করেন রবিশঙ্কর। তবে তার আদি পৈত্রিক নিবাস বাংলাদেশের নড়াইল জেলার কালিয়ায়।
