প্রিয় শিক্ষার্থীরা, তোমদের জন্য আজ তৈরী করেছি বাংলা প্রথমপত্রের সৃজনশীল মডেল টেস্ট। চর্চা করলে আশা করি উপকৃত হবে। (প্রত্যেক বিভাগ থেকে কমপক্ষে ২টি করে মোট ৬টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে)
ক অংশ-গদ্য
১.নিচের উদ্দীপকটি মনোযোগ দিয়ে পড় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর দাও।
অধ্যাপক করিম সাহেবের বড় মেয়ে তানি। এই মেয়েটিকে তিনি তাঁর আদর্শে গড়েছেন এবং শিক্ষার প্রায় সর্বশেষ স্তর পর্যন্ত লেখা পড়ায় প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। এক সময় তিনি তাঁর মেয়েকে আত্মীয় স্বজনদের পরামর্শে বিয়ে দিয়েছেন। পরিবারটি ছিল এমন যেখানে তানিকে তার বয়স সম্পর্কে বারবার কটূক্তি করা হতো।
ক. হৈমন্তী কোথায় বেড়ে ওঠেছিল? ১
খ. “আমার বাবাতো কখনোই মিথ্যা বলেন না”-উক্তিটি কে, কেন, করেছিল ? ২
গ. উদ্দীপকের তানির সাথে তোমার পঠিত ‘হৈমন্তী’ গল্পে হৈমন্তীর কী মিল রয়েছে তা ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. ‘হৈমন্তী’ গল্পে যে সমাজ ব্যবস্থা ফুটে ওঠেছে তা উদ্দীপক ও ‘হৈমন্তী’ গল্পের আলোকে
বিশ্লেষণ কর। ৪
২. নিচের উদ্দীপকটি মনোযোগ দিয়ে পড় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর দাও।
আমজাদ সাহেব সাহিত্য রচনায় সিদ্ধহস্ত কিন্তু তার লেখা পাঠক সমাজে দুর্বোধ্য। তিনি সাহিত্যকে এমনভাবে রচনা করেন যাতে সাহিত্যে রসের প্রাধান্য থাকে। তিনি মনের অভিব্যক্তিকে সাহিত্যে ফুটিয়ে তুলেন। মূলত তিনি পাঠকদের মনের তুষ্টির জন্য সাহিত্য রচনা করেন না।
ক. রোদ্যাঁ কী করতেন? ১
খ.সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া, কারো মনোরঞ্জন করা নয়- কেন? ২
গ.উদ্দীপকে আমজাদ সাহেবের সাহিত্যধারা কতটুকু যুক্তি পূর্ণ বলে তুমি মনে কর তা ব্যাখা কর? ৩
ঘ. উদ্দীপকের বক্তব্যের আলোকে সাহিত্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তোমার বক্তব্য বিশ্লেষণ কর। ৪ ৪৩. নিচের উদ্দীপকটি মনোযোগ দিয়ে পড় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর দাও।
সালমা ও ময়না দুই বান্ধবী। তারা আধুনিক ও সচেতন মেয়ে। সালমার মতে পর্দা প্রথা নারীদের মুক্তির অন্তরায়। কিন্তু ময়না এতে একমত নয়। সে মনে করে নারী মুক্তির জন্য প্রয়োজন আত্মিক উন্নতি। কারণ ইসলামে পর্দা প্রথা নারীদের স্বাধীনভাবে চলার জন্য, বন্দি রাখার জন্য নয়।
ক. বেগম রোকেয়া কী নামে লেখা প্রকাশ করতেন? ১
খ. মানসিক দাসত্ব বলতে লেখিকা কী বুঝাতে চেয়েছেন? ২
গ.সালমার মতো মেয়েদের মনোভাবকে বেগম রোকেয়া তার ‘অর্ধাঙ্গী’ প্রবন্ধে কী ভাবে দেখেছেন তা ব্যাখ্যা কর? ৩
ঘ.নারী মুক্তির লক্ষে ময়নার দৃষ্টিভঙ্গি তুমি
কিভাবে মূল্যায়ন কর? ৪
খ অংশ- পদ্য
১. নিচের উদ্দীপকটি মনোযোগ দিয়ে পড় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর দাও।
মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। অন্য প্রাণীর সাথে মানুষের পার্থক্য মানুষ বিবেক-বুদ্ধি সম্পন্ন। কিন্তু মানুষ অমরত্ব পায় কর্মের গুণে। কর্মই মানুষকে বড় করে তুলে। সফলতার স্বর্ণ শিখরে ওঠার সিঁড়ি হলো মহত্ কিছু কার্ম। অর্থাত্ ‘জন্ম হোক যথা তথা, কর্ম হোক ভালো’।
ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে নোবেল পান? ১
খ.‘এখন আমারে- লহো করুণা করে’- এ আবেদন কেন করা হয়েছে? ২
গ.মানুষের জীবনে কর্মের প্রাধান্য- এ বিষয়ে কবিগুরু ‘সোনার তরী’ কবিতায় যে ভাব পোষণ করেছেন তা তোমার নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা কর? ৩
ঘ. ‘জন্ম হোক যথা তথা, কর্ম হোক ভালো’- সোনার তরী কবিতার আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ কর। ৪
২. নিচের উদ্দীপকটি মনোযোগ দিয়ে পড় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর দাও।
শাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী
অবাক তাকিয়ে রয়;
জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখার
তবু মাথা নোয়াবার নয়।
ক. অমিয় চক্রবর্তী কত সালে জন্ম গ্রহণ করেন? ১
খ. বাংলাদেশ কবিতায় সামপ্রদায়িক সস্প্রীতির যে চিত্র ফুটে ওঠেছে সে সম্পর্কে লেখ। ২
গ.উল্লিখিত কবিতাংশের ভাববস্তুতে বাঙ্গালির প্রতিক্থল পরিস্থিতি মোকাবেলা করার শক্তি ও সাহস প্রকাশ পেয়েছে-
তা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.“জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখার
তবু মাথা নোয়াবার নয়”- ‘বাংলাদেশ’ কবিতার আলোকে এ চরণদ্বয়ের তাত্পর্য বিশ্লেষণ কর। ৪
৩. নিচের উদ্দীপকটি মনোযোগ দিয়ে পড় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর দাও। স্যার আমাদের ক্লাসে আজ ‘কবর’ কবিতা পড়ে শুনালেন। এটি কবি জসিম উদ্দীনের একটি শোক কবিতা। এ কবিতায় কবি যেসব করুণ মৃত্যুর বর্ণনা দিয়েছেন তা সত্যিই মর্মান্তিক। স্যার বললেন-“ এ ধরনের কবিতায় নাটকীয়তা পরিলক্ষিত হয়।”
ক. কবর কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়? ১
খ.দাদুর জীবনের অন্তিম প্রার্থনা বুঝিয়ে বল। ২
গ.কবর একটি শোক কবিতা- তা কবর কবিতার বিষয় বস্তুর আলোকে ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.“এ ধরনের কবিতায় নাটকীয়তা পরিলক্ষিত হয়।”- উক্তিটির যথার্থতা ব্যাখ্যা কর। ৪
গ অংশ-সহপাঠ (পদ্মা নদীর মাঝি)
১. নিচের উদ্দীপকটি মনোযোগ দিয়ে পড় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর দাও।
যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত একটি গ্রাম রসুলপুর। এ গ্রামের অধিকাংশ মানুষ জেলে। তারা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। এখানে নানা ধর্মের লোক মিলেমিশে বাস করে। জীবনের সাথে যুদ্ধ করে তারা বেঁচে থাকে। এমন একজন মাঝি জামাল।
ক.কুবেরের পেশা কী ছিল? ১
খ.“নদীর বুকে ভাসিয়া চলার মত সুখ আর নাই”-বলতে লেখক কী বুঝাতে চেয়েছেন? ২
গ.উদ্দীপকের জামালের সাথে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ উপন্যাসের নায়ক কুবেরের সাদৃশ্য নিরূপন কর। ৩
ঘ.উদ্দীপকে যে সমাজচিত্র ফুটে ওঠেছে তা ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ উপন্যাসের সাথে কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ তা বিশ্লেষণ কর। ৪
২. নিচের উদ্দীপকটি মনোযোগ দিয়ে পড় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর দাও।
সারারাত জলে ভিজে মাছ ধরে মনু, গনু ও হিরু মিয়া। ফজরের আযান দিলে তাদের মাছ ধরা শেষ হয়। সে মাছ মহাজনদের কাছে বিক্রি করে। যহর নামের এক আড়তদার সুযোগ পেলেই তাদের ঠকায় এবং কম মূল্যে তাদের কাছ থেকে মাছ ক্রয় করে। কখনো কখনো তাদের টাকাও বাকী রাখে। মনু, গনু ও হিরু মিয়া গরিব বলে সব মুখ বুঝে সহ্য করে।
ক. ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ উপন্যাসে কোন শ্রেণির মানুষের কথা বলা হয়েছে? ১
খ.‘গরিবের মধ্যে সে গরিব, ছোট লোকের মধ্যে আরো বেশি ছোট লোক’- বলতে লেখক কী বুঝাতে চেয়েছেন? ২
গ.উদ্দীপকের কোন দিকটি ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ উপন্যাসে প্রতিফলিত হয়েছে তা ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ.উদ্দীপকে বর্ণিত মনু, গনু ও হিরু মিয়ার সাথে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ উপন্যাসের কোন চরিত্র গুলোর সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়- বিশ্লেষণকর। ৪
৩. নিচের উদ্দীপকটি মনোযোগ দিয়ে পড় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর দাও।
বজলু মিয়া একজন ধনী লোক। তিনি নদীর চরে অনেক জমি কিনে সেখানে জনবসতি গড়ে তুলার স্বপ্ন দেখেন। তিনি গ্রামের দরিদ্রদের মাঝে মাঝে সাহায্য করেন। কিন্তু গ্রামবাসীরা তাকে সন্দেহের চোখে দেখে।
ক. ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ উপন্যাসে কোন দ্বীপের কথা
বলা হয়েছে? ১
খ.‘ঈশ্বর থাকেন ঐ ভদ্রপল্লীতে’- উক্তিটির তাত্পর্য
ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত বজলু মিয়ার স্বপ্নের সাথে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ উপন্যাসের হোসেন মিয়ার স্বপ্নের দ্বীপের সাদৃশ্য
ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. উদ্দীপকের ‘গ্রামবাসীরা তাকে সন্দেহের চোখে দেখে’-উক্তিটির আলোকে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ উপন্যাসের হোসেন মিয়ার চরিত্রের রহস্যময়তা সম্পর্কে সুচিন্তিত অভিমত দাও। ৪
