ক্লাউডস্পোক ডটকম যাত্রা শুরু করল বাংলাদেশে

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০১২, ১৯:৪১
সম্প্রতি বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে ক্লাউড কম্পিউটিংভিত্তিক বিভিন্ন সলিউশন প্রদানে যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোর প্রতিষ্ঠান ক্লাউডস্পোক। এ উপলক্ষে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন এপ্রিও ইনকর্পোরেশন, আমেরিকা ও ক্লাউডস্পোকস এমভিপি’র সলিউশন আর্কিটেক্ট দাস নোবেল। বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ তরুণ প্রজন্মকে এ দেশের জন্য শক্তিশালী দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামীর ক্লাউড কম্পিউটিংনির্ভর দিনগুলোর জন্য এই তরুণ প্রজন্মকে প্রশিক্ষিত করে তুলতে পারলে তা দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের অবদান রাখতে সক্ষম হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের কমিউনিটিতে বর্তমানে ৭৫ হাজার সদস্য বা ক্লাউড এক্সপার্ট রয়েছে এবং ২০১৩ সালের মধ্যে আমরা এ সংখ্যা ১০ লক্ষে উন্নীত করার চেষ্টা করছি।’ বাংলাদেশের তরুণ প্রোগ্রামাররা ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বিশ্ব প্রতিযোগিতায় নিজেদের বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে হবে বলে আশা করেন তিনি। ক্লাউডস্পোকস ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মধ্যে অংশীদারিত্ব এ কার্যক্রমকে আরও বেশি ত্বরান্বিত করেবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠানকে এককভাবে প্রযুক্তিবান্ধব করে তুলতে অনেক খরচ। অবকাঠামো তৈরি, সফটওয়্যার নির্মাণ এবং জনবল নিয়োগসহ নানা কাজের প্রয়োজন হয়। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানই চাইলেও খরচের কারণেই প্রযুক্তির সব সুবিধা গ্রহণ করতে পারে না। ক্লাউড কম্পিউটিং বাড়তি বিনিয়োগ ছাড়াই এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রযুক্তির সব সুবিধা গ্রহণ করার সুযোগ করে দিতে সক্ষম।’ ক্লাউডস্পোক সম্পর্কে তিনি জানান, ‘ক্লাউডস্পোক ডটকম মূলত একটি ওয়ার্কপ্লেস। এই ওয়ার্কপ্লেসে সমাধানের জন্য প্রচুর সমস্যা দেওয়া থাকে। যে কেউ চাইলেই বিনামূল্যে নিবন্ধনের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করে জমা দিতে পারেন। সমাধানটি জয়ী হলে পাওয়া যেতে পারে ৫০০-২০০০ ডলার। আর সেলসফোর্স হল ক্লাউড আ্য্যপ্লিকেশন প্লাটফর্ম, যেখান থেকে ব্যবহারের জন্য আ্য্যপ্লিকেশন তৈরি করা যায়।’ নোবেল জানান, ক্লাউডস্পোককে এই দেশে প্রমোট করার পাশাপাশি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতেও তারা কাজ করবেন। তিনি জানান, ইতোমধ্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জিডিপি ইউনিভার্সিটি এবং বাংলাদেশে অবস্থিত তার আরেকটি প্রতিষ্ঠান এমটিএক্স-এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে উদ্বুদ্ধকরণ এবং একইসাথে তাদের দক্ষ করার জন্য বিভিন্ন অফলাইন ও অনলাইন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। এ ছাড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য নিজের নামে বৃত্তি দেওয়ার কার্যক্রমও শুরু করতে যাচ্ছেন তারা। উল্লেখ্য, ক্লাউডস্পোকস হচ্ছে এপ্রিও ইনকর্পোরেশন,সানফ্রান্সিসকো আমেরিকার একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। আর এপ্রিও হচ্ছে ক্লাউড সমর্থিত মধ্য আমেরিকার সানফ্রািন্সসকো ভিত্তিক কনসাল্টিং কোম্পানি যারা সেলসফোর্স, গুগুল অ্যাপস ওয়ার্ক ডে নিয়ে কাজ করে থাকে।