জাপানে আজ রবিবার সাধারণ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশটিতে একটি নতুন সরকার আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।-খবর বিবিসির।
জনমত জরিপে বলা হচ্ছে, নির্বাচনে ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ভরাডুবি ও বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টি অব জাপান (ডিপিজে) জয়ী হয়ে দলটির নেতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী সিনজু আবে আবার ক্ষমতায় আসতে পারেন। নির্বাচনে বিক্রয় শুল্ক, পরমাণু জ্বালানি, চীনের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয় গুরুত্ব পাবে। তবে অনেক ভোটার বলছেন, জাপানের অস্থিতিশীল রাজনীতির কারণে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন তারা।
হিরোকো তাকাহাসি (৫১) নামের এক ভোটার বলেন, নির্বাচনকে সমানে রেখে প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়ি ছড়াচ্ছেন। কিন্তু তারা এ প্রতিশ্রুতির কতটুকু পূরণ করতে পারবেন, তা নিয়ে আমি সন্দিহান। এলডিপির ৫০ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০০৯ সালে বিপুল বিজয় নিয়ে ক্ষমতায় আসে রক্ষণশীল ডিপিজে। জনকল্যাণে অধিক ব্যয় ও জোরালো সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল দলটি। কিন্তু অর্থনৈতিক মন্দা ও ২০১১ সালের ১১ মার্চের ভূমিকম্প ও সুনামির কারণে দলটি তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে হিমশিম খাচ্ছে। তা ছাড়া ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত দলটির প্রধানমন্ত্রী পদে তিনবার পরিবর্তন এসেছে। ইউশিহিকো নোদা ডিপিজের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে বিক্রয় শুল্ক দ্বিগুণ করা নিয়ে জনসমর্থন হারিয়েছেন তিনি। জাপানের বিপুল ঋণ-সংকট মোকাবিলায় বিক্রয় শুল্ক দ্বিগুণ করার পক্ষে নোদা।
