গাজীপুর সদর হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ হাবিবুল্লাহ গত শনিবার টঙ্গী হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. তাহেরা সালোয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তিন দিনের মধ্যে এ কমিটিকে রির্পোট দিতে বলা হয়েছে। গত শুক্রবার সদর হাসপাতালে এক নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল ঘেরাও করে ঘটনার জন্য দায়ী চিকিত্সক ও নার্সের বিচার দাবি করে এলাকাবাসী। নবজাতকের নানী হাসিনা খাতুন জানান, গত বৃহস্পতিবার বিকালে সিনিয়র নার্স রাশিদা শিকদারের মাধ্যমে মরিয়মের পুত্রসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। জন্মের পর অবস্থা খারাপ হওয়ায় হাসিনা খাতুনের কোলে রেখেই নবজাতককে অক্সিজেন দেয়া হয়। সন্ধ্যার দিকে তিনি লক্ষ্য করেন মাথায় পেঁচানো কাপড় রক্তে ভিজে গেছে। প্রথমে প্রসবজনিত রক্ত মনে করলেও পরে দেখেন নবজাতকের মাথার তালু কাটা। ঘটনাটি কর্তব্যরত নার্সকে জানালে তিনি চুপ থাকতে বলেন। নবজাতকের মা অভিযোগ করেন, শুক্রবার ভোরে তাকে রিলিজ দিয়ে লাশ নিয়ে চলে যেতে চাপ দেয় হাসপাতালের এক নার্স। পরে হাসপাতালের একজন সুপাইপার দিয়ে মরিয়মকে লাশ দাফনের জন্য গাজীপুর পৌর কবরস্থানে পাঠিয়ে দেয়া হয়। কবরস্থানে কান্নাকাটির সময় এলাকার লোকজন জড়ো হয়। পরে এলাকাবাসী এ ঘটনা শুনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
