মহান বিজয় দিবসে তেজগাঁওয়ে চ্যানেল আই ভবন চত্বরে এবারও অনুষ্ঠিত হয় বাংলালিংক-চ্যানেল আই বিজয় মেলা। চ্যানেল আইয়ের সপ্তম বারের আয়োজনে ছিলো নানা বৈচিত্র্য ও জাঁকজমকপূর্ণ। বিজয়ের ৪১ বছরকে স্মরণীয় করে রাখতে এই বিজয় মেলাকে ঘিরে নেয়া হয়েছিল বিশেষ পরিকল্পনা।
সকালে লাল সবুজ বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এই মেলার উদ্বোধন করেন এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) সুলতান আহমেদ, মেজর (অব.) কামরুল হাসান ভুঁইয়াসহ যুদ্ধাহত ও খেতাবধারী ২২ জন মুক্তিযোদ্ধা। এসময় উপস্থিত ছিলেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ, পরিচালক জহিরউদ্দিন মাহমুদ মামুন, আব্দুর রশীদ মজুমদার ও আবদুল মুকিত মজুমদার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী, বাংলালিংক এর হেড অব পিআর এন্ড মার্কেটিং শরফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ও ম্যানেজার পি আর এন্ড কমিউনিকেশন্স শেহজাদ সারোয়ার হোসেন প্রমুখ।
বিজয় মেলায় যুদ্ধাহত ও খেতাবধারী ২২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বিশেষ সম্মাননা জানানো হয়। এসময় দলীয় সঙ্গীত পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে... গানটি পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। মেলায় সঙ্গীত পরিবেশন করেন মনোরঞ্জন ঘোষাল, মলয় কুমার গাঙ্গুলী, রথীন্দ্রনাথ রায়, বিপ্লব প্রমুখ। লাল সবুজে বর্ণিল মঞ্চ, তোরণ ও ফেস্টুনে সুসজ্জিত ছিলো মেলা প্রাঙ্গণ। মেলায় ৭ বীরশ্রেষ্ঠ-এর নামে ৭টি স্মারক স্তম্ভ এবং ১১ সেক্টরের স্মরণে ১১টি স্থান নির্দিষ্ট ছিলো। মুক্তিযুদ্ধের নানা দলিল, মুক্তিযুদ্ধের গ্রন্থমালা, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধের আলোকচিত্র, মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র, মুক্তিযোদ্ধাদের ডায়েরি প্রদর্শনী ছাড়াও ছিলো গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের আরো বেশ কিছু স্টল।
মুক্তিযুদ্ধের চিত্রাংকন করেন বীরেন সোম, রেজাউন নবী, আবদুল মান্নান, রেজাউল করিম, সৈয়দ জাহিদ ইকবাল, ফারজানা আহমেদ উর্মি, সোহানা সাহরীন, মনিরুজ্জামান, জহির উদ্দিন, নওসেবা ডালিয়া।
মুক্তিযুদ্ধের সময়ের স্মৃতিচারণ ছাড়াও মেলায় সঙ্গীত পরিবেশন করেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধারা, দেশ বরেণ্য সঙ্গীত শিল্পীবৃন্দ। নৃত্য পরিবেশন করেন বিভিন্ন সংগঠনের শিল্পীরা।
