সারাদেশে বিজয় দিবস উদযাপন

আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৩০
সারাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গতকাল রবিবার মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। খবর ইত্তেফাক অফিস, প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের। খুলনা ঃ দিবসের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা এক মিনিটে নগরীর গল্লামারী স্বাধীনতা সৌধে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী, সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন, মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট), খুলনা প্রেসক্লাব, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠন পুষ্পমাল্য অর্পণ করে। প্রত্যুষে কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে দিবসের শুভ সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবন ও প্রতিষ্ঠানসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়ক দ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকায় সজ্জিত করা হয়। সকালে খুলনা স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে সেখানে বিভিন্ন বাহিনী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে ও শরীরচর্চা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া হাসপাতাল, জেলখানা, এতিমখানা, শিশুসদন ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানসমূহে দিবসটি উপলক্ষে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়। জাতির শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে খুলনা বেতার বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার এবং স্থানীয় সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে। এছাড়া আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পৃথক কর্মসূচির আয়োজন করে। সকালে আওয়ামী লীগ নগরীতে একটি বিজয় মিছিল বের করে। রাজশাহী ঃ শহীদদের স্মরণে রাজশাহীর সর্বস্তরের মানুষ নগরীর শহীদ মিনারগুলোতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানায়। রাজশাহী কোর্ট, রাজশাহী কলেজ, ভুবনমোহন পার্ক ও রাবি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আবালবৃদ্ধবণিতার ব্যাপক ভিড় পরিলক্ষিত হয়। রাত ১২টা ১ মিনিটে কোর্ট শহীদ মিনারে শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি, মেরাজউদ্দিন মোল্লা এমপি, বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল মান্নান, জেলা প্রশাসক আব্দুল হান্নান, পুলিশ সুপার তওফিক মাহবুব চৌধুরী, রাকাব চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাহ্ নওয়াজ আলী, বিএমডিএ চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম ঠান্ডু; পুলিশ লাইন শহীদ মিনারে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি মীর শহিদুল ইসলাম ও মহানগর পুলিশ কমিশনার এসএম মনির উজ-জামান; রাজশাহী কলেজ শহীদ মিনারে মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, মহানগর বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান মিনু, জেলা বিএনপির সভাপতি নাদিম মোস্তফা, মহানগর জাতীয় পার্টি, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী প্রেসক্লাব; ভূবনমোহন পার্ক শহীদ মিনারে সদর আসনের সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা, রাসিকের প্যানেল মেয়র-১ সরিফুল ইসলাম বাবু, রাসিক কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারী, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন, জাসদ, ন্যাপ, আদিবাসী ছাত্রপরিষদ, রাজশাহী ওয়াসা, জাতীয় যুবজোট, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়ন, কমিউনিস্ট পার্টি, ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাসদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সোনালী ব্যাংকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ ও এক মিনিট নিরবতা পালন করে। ভোরে বিভিন্ন সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের জনগণ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। এদিকে দুপুরে নগরীতে শতাধিক ট্রাক নিয়ে রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের নেতৃত্বে মহানগর আওয়ামী লীগ নগরীতে বিজয় শোভাযাত্রা বের করে। অন্যদিকে পুলিশ লাইনে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ (রাবি) বিভিন্ন সংগঠন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করে। সিলেটঃ বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন হাজারো মানুষ। তীব্র শীত ও কুয়াশা উপেক্ষা করে প্ল¬্যাকার্ড, লাল সবুজ পতাকা আর ফুলের তোড়া নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষপস্তবক অর্পণ করেন তারা । রাত ১২টা ১ মিনিটে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শুরু হয় বিজয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। প্রথমেই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শহীদ মিনার বাস্তবায়ন পরিষদের নেতৃবৃন্দ। এরপর একে একে সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপার, বিভিন্ন রাজনৈতিক , সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন শহীদ মিনারে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিলেট জেলা মহানগর, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সিলেট জেলা ও মহানগর, জাতীয় পার্টি, সিলেট প্রেস ক্লাব, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, সাম্যবাদী দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এছাড়া ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, ছাত্র ইউনিয়ন ছাত্রমৈত্রী, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। লোকে লোকারণ্য আর ফুলে ফুলে ভরে ওঠে শহীদ মিনারের বেদী। এছাড়া জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হয়। বরিশাল: সূর্যোদয়ের সাথে সাথে পুলিশ লাইনস মাঠে তোপধ্বনির মাধ্যমে বরিশালে মহান বিজয় দিবসের সূচনা করা হয়। সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও ব্যক্তি মালিকানাধীন ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকালে কালেক্টরেট সংলগ্ন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পর্যায়ক্রমে ফুল দেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ নুরুল আমিন, ডিআইজি ডাঃ আব্দুর রহিম, পুলিশ কমিশনার মোঃ সামছুদ্দিন, জেলা প্রশাসক শহিদুল আলম, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সিটি মেয়র শওকত হোসেন হিরন, সংসদ সদস্য তালুকদার মোঃ ইউনুস, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডাঃ মোখলেছুর রহমান। পরে সংসদ সদস্য তালুকদার মোঃ ইউনুসের নেতৃত্বে বিজয় শোভাযাত্রা বের হয়। সদর আসনের এমপি মজিবর রহমান সরোয়ারের নেতৃত্বে বেলা সাড়ে ১১টায় বিজয় শোভাযাত্রা সহকারে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দেয় জেলা ও মহানগর বিএনপি। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে এবং ত্রিশ গোডাউনের বধ্যভূমিতে ফুল দেয়। এদিকে বাবুগঞ্জে সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপজেলা চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ খানের বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধাদের নাম উচ্চারণ না করায় উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধারা তাকে শারীরিক লাঞ্ছিত করে। পরে মুক্তিযোদ্ধারা তার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে। উপজেলা চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ খান জানান, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে তার বক্তৃতা শেষে উপস্থিত আওয়ামী লীগ নেতারা জয়বাংলা - জয় বঙ্গবন্ধু শ্লোগান না দেয়ার জন্য চড়াও হয়। এসময় তিনি সভাস্থল ত্যাগ করেন। রংপুর : রংপুরে রাত ১২টা ১ মিনিটে রংপুর পুলিশ লাইনস মাঠে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে দিবসের সূচনা হয়। একই সময় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রংপুর বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, ডিআইজি, পুলিশ প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, রংপুর প্রেসক্লাব, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষপমাল্য অর্পণ করেন। গতকাল বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন ভবনে আলোকসজ্জা এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এছাড়া দুপুর ২টায় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মহিলাদের আলোচনা সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল সাড়ে ৩টায় জেলা প্রশাসন বনাম রংপুর সিটি করপোরেশন একাদশের মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি পালন উপলক্ষে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপ সমূহে জাতীয় পতাকাসহ অন্যান্য পতাকা দিয়ে সজ্জিত করা হয়। এদিকে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো তাদের নিজ নিজ উদ্যোগে বিস্তারিত কর্মসূচির মধ্যদিয়ে মহান বিজয় দিবস পালন করেছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে দিনভর সাংস্কৃতিক, নৃত্যানুষ্ঠান, দেশাত্মবোধক গান ও উন্মুক্ত মঞ্চ নাটক পরিবেশন এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাকৃবি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) সকাল সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটি কেন্দ্রীয় স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত প্রদর্শনীর আয়োজন করে। এতে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল হক প্রধান অতিথি ছিলেন। সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ‘মরনসাগর’ এর পাদদেশে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটি, শিক্ষক সমিতি, হল প্রভোস্টবৃন্দ, বাকৃবি সাংবাদিক সমিতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। পরে উদযাপন কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি কনফারেন্স রুমে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেন। এদিকে ছাত্র ইউনিয়ন বাকৃবি সংসদ গতকাল ক্যাম্পাসে যুদ্ধাপরাধীদের প্রতীকী ফাঁসির আয়োজন করে। পবিপ্রবি: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাত ১২টা ১ মিনিটে জয়বাংলা প্রাঙ্গণে প্রজ্বলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন। সকাল ৮টায় একই স্থানে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন ভাইস-চ্যান্সেলর, ডিন কাউন্সিল, প্রভোস্ট কাউন্সিল, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ, শিক্ষক পরিষদ, কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিষদ, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, ধানসিড়ি, বাঁধন, ছাত্রলীগ, ছাত্র-ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। সকাল ৯টায় এক বিজয় শোভাযাত্রা বের হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় অডিটরিয়ামে আলোচনা সভায় খাদ্য ও পুষ্টি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ রবিউল হক সভাপতিত্ব করেন।