আওয়ামী বুদ্ধিজীবীরা এখন নিশ্চুপ

আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৩৬
বিজয় দিবসে বিএনপির মুখপাত্র ও স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগ মানুষকে বোকা বানানো আর ধোঁকা দেয়ার কৌশল খুব ভাল করে জানে। তাদের রয়েছে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চটকদারি কৌশল এবং তা আগে থেকেই ছিলো। এ দলের সমর্থিত বুদ্ধিজীবীরা সরকারের ব্যর্থতা দেখে এখন স্তব্ধ হয়ে গেছেন, বোকা বনে গেছেন। তারা কি করবেন কি বলবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক দল (জাসাস) এর উদ্যোগে গতকাল বিকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তরিকুল ইসলাম বলেন, সরকার পুরো দেশকে কারাগারে পরিণত করেছে। বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলমকে গুলি করা হয়েছে। দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এই সরকারের আমলে ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলমসহ ১৫৬টি গুমের ঘটনা ঘটেছে। তরিকুল বলেন, দেশের বুদ্ধিজীবীরা এখন সরকারের দুর্নীতির সমালোচনা করছে না, কারণ তারা সুবিধাভোগী। গুটি কয়েক যারা করছেন, তাদের গোয়েন্দা বাহিনী দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। বিএনপিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রধান দল উল্লেখ করে তরিকুল ইসলাম বলেন, এত মুক্তিযোদ্ধা অন্য কোনো দলে নেই। সভায় স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বিশ্বজিত্ সরকারের কফিনের শেষ পেরেক। তিনি বলেন, সরকার পুলিশের ওপর এখন প্রবল সন্দেহ করছে। তারা পুলিশকে আর বিশ্বাস করতে পারছে না। জাসাস কেন্দ্রীয় সভাপতি এম এ মালেকের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক গাজী মাজহারুল ইসলাম, জাসাস সাধারণ সম্পাদক মনির খান ও বাবুল আহমেদ প্রমুখ বক্তৃতা করেন। এদিকে সকালে শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণের পর তরিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, তার দলের পক্ষ থেকে আবারো প্রধানমন্ত্রীর কাছে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবি করা হয়েছে।