সিরিয়ার সঙ্গে তুরস্কের সীমান্তে ন্যাটোর প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পট প্রস্তুত করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সেনা প্রধান জেনারেল হাসান ফিরোজাবাদী। সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ বিরোধী আন্দোলন চলছে ২১ মাস ধরে। আসাদের পক্ষ নেয়া দেশগুলোর অন্যতম ইরান। খবর রয়টার্সের।
সিরিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর গত কয়েক মাস ধরে সিরিয়ার বুলেট ও গোলা তুরস্কের সীমানার ভেতরে গিয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করে আসছে তুরস্ক। ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এ দেশটি আরো বড় কোন অঘটন এড়াতে ন্যাটোর সহায়তা চাইলে অনির্দিষ্টকালের জন্য তুরস্কের সীমান্তে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র পাঠাতে সম্মত হয় জার্মানি, নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে ৪০০ সেনা পাঠানোরও ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এর পটভূমিতে ইরানের সেনা প্রধান ফিরোজাবাদী বলেন, বিশ্বের মানচিত্রে প্রতিটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রই একেকটি কালো চিহ্ন। এর অর্থই হচ্ছে বিশ্বযুদ্ধ ঘটানো। এটি মানবতার জন্য খুবই বিপজ্জনক পরিস্থিতি, ইউরোপের জন্যও। তেহরানে জাতীয় প্রতিরক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেয়া বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, তুরস্ক আমাদের বন্ধু এবং তুরস্কের নিরাপত্তা আমাদেরও কাম্য।
তুরস্ক সীমান্তে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের সিদ্ধান্তের জবাবে সিরিয়া শুক্রবার তুরস্ক সীমান্তের কাছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন নির্মিত দূরপাল্লার স্কাড ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে বলে অভিযোগ করেছে ন্যাটো। কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার করেছে সিরিয়ার সরকার।
