আদমদীঘিতে গৃহবধূ হত্যা চেষ্টার ঘটনায় মামলা

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:১২
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ডুমুরী গ্রামে শিরিন আক্তার (২৩) নামের স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে পায়ের রগ কেটে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় প্রাক্তন স্বামী সোহেল ইবনে করিমসহ (৩৫) আরও অজ্ঞাত ৫ জনকে আসামি করে আদমদীঘি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে শিরিন আক্তারের পিতা আজিজার রহমান বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। এ দিকে অসুস্থ শিরিন আক্তার ঢাকায় অ্যাপোলো হাসপাতালে এখনও সঙ্গাহীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে লড়ছে। আসামি সোহেল ইবনে করিম আদমদীঘির তালশন গ্রামের আব্দুল করিমের পুত্র ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা যায়। মামলা সূত্রে জানা যায়, পরিবারের অনুমতি ছাড়াই শিরিন আক্তারের সাথে সোহেল ইবনে করিমের দেড় বছর পূর্বে বিয়ে হয়। বিয়ের পর এক বছর ঘর সংসার করা কালে স্বামী সোহেল ইবনে করিম বিভিন্ন সময় যৌতুক হিসাবে টাকা ও আসবাবপত্র দাবি করে চাপসহ স্ত্রী শিরিন আক্তারকে শারীরিক নির্যাতন করতো। ৫ মাস পূর্বে শিরিন স্বামীর বাড়ি থেকে পিত্রালয়ে চলে যান এবং গত ১৮ আগস্ট স্বামীকে তালাক দেন। এদিকে তালাক দেয়ার পর হতে প্রাক্তন স্বামী সোহেল ইবনে করিম ও তার বন্ধু সেন গুপ্ত শিরিনকে ফিরে নিতে আত্মীয়-স্বজনদের নিকট ধর্ণা দিত। এতে অস্বীকৃতি জানালে ওই দুই জন বাদীর বাসার আশপাশে সন্দেহজনক ঘোরাফেরা ও মোবাইল ফোনে শিরিনকে হত্যাসহ পঙ্গু করার হুমকি দিত। এর একপর্যায়ে গত ১৩ ডিসেম্বর বিকাল ৪ ঘটিকায় শিরিন আক্তার ও তার ভাই মামুন বাসায় ছিল। শিরিনকে বাসা থেকে কৌশলে বাহিরে এনে সন্ত্রাসীরা মেইন গেটের বাহির থেকে শিকল লাগিয়ে বাসার পিছনে শিরিনকে নিয়ে লেবুর গাছ তলায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে ও দুই পায়ের রগ কেটে হত্যার চেষ্টা করে। পরে তারা মাইক্রো যোগে পালিয়ে যায়।