বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশের কেন্দ্র এবং এই মহান নেতার মাধ্যমেই জন্ম হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের— এমন থিমের ওপর নির্মিত দেশের সর্ববৃহত্ ‘বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ম্যুরাল’ উদ্বোধন হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। যশোর শহরের গরীব শাহ সড়কের বকুলতলায় স্থাপিত ম্যুরালটি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০০৯ সালে একটি উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বুয়েটের আর্কিটেকচার বিভাগের শিক্ষার্থী তাসনিভা রহমান মুমুর নকশাটি ম্যুরালের জন্য নির্বাচিত হয়। ১৬ ফুট উচ্চতার ম্যুরালটি ২ ফুট বেদির ওপর স্থাপিত। ম্যুরালের সামনের দুই পাশে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং কুঁড়ির প্রতিকৃতি বাঙালি জাতীয়তাবাদের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে প্রতিভাত হয়ে উঠেছে। ম্যুরালের প্রত্যেকটি কাঠামো স্মরণ করিয়ে দেয় ‘বঙ্গবন্ধুই সমগ্র বাংলাদেশের কেন্দ্র’। ম্যুরালের পিছনের অংশে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের প্রতিকৃতি। এটাও ৭ মার্চের ভাষণের সর্ববৃহত্ পেইন্টিং বলে নিশ্চিত করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল আজিজ।
ম্যুরাল ডিজাইনার তাসনিভা রহমান মুমু ইত্তেফাককে বলেন, ‘ত্রিমুখী সাইডকে কিভাবে ব্যবহার করলে সবদিক থেকে বঙ্গবন্ধু প্রধান ফোকাস হবেন—সেটার ওপর ডিজাইনে জোর দেয়া হয়েছে। নিজের এমন একটি শিল্পকর্ম নিয়ে উচ্ছ্বসিত মুমু। তিনি বলেন, ‘এটা আমার জীবনের বড় পাওয়া। ঐতিহাসিক এই ক্ষণের সাক্ষী হতে আমি নিজে যশোরে যাচ্ছি।’ নকশাটির রূপায়ণকারী শিল্পী আব্দুল আজিজ বলেন, ‘৭ মার্চের পেইন্টিংয়ে থাকা সাধারণ মানুষকে অস্পষ্ট করে বঙ্গবন্ধুকে হাইলাইট করা হয়েছে এজন্য যে, তিনি আসলে আমাদের মাঝে আজও আছেন এই সত্যকে তুলে ধরার জন্য।’
