গত ১০ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দিন আহমদ। গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেয়া হয়। সব মিলিয়ে আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সর্বমোট ৯ কোটি ২৭ লাখ ৮৪ হাজার ২২৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে ভোটার হওয়ার যোগ্য বাদপড়া ব্যক্তিরা এখন থেকে উপজেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করে ভোটার হওয়ার সুযোগ পাবেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে সিইসি ছাড়াও নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক, মোহাম্মদ আবু হাফিজ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী, মো. শাহ নেওয়াজসহ কমিশন সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে সিইসি জানান, এ বছর হালনাগাদে ৮ দশমিক ১ ভাগ হারে সারাদেশে ভোটার বেড়েছে মোট ৬৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৩ জন। গত ১০ মার্চ হালনাগাদ কাজ শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত সারাদেশের মোট ভোটার ছিল ৮ কোটি ৫৮ লাখ ৬৫ হাজার ৯২৫ জন। সব মিলিয়ে আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সর্বমোট ৯ কোটি ২৭ লাখ ৮৪ হাজার ২২৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পাবেন।
কমিশন জানিয়েছে, হালনাগাদকৃত খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে আগামী ২ জানুয়ারি। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করে দাবি, আপত্তি ও সংশোধন করে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। বিদ্যমান ভোটার তালিকা থেকে মৃত ভোটার বাদ দেয়া হয়েছে ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৮৯৩ জন। অবিতরণকৃত পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়েছে ৩৮ লাখ ২৬ হাজার ৮৯২টি। ভোটার স্থানান্তর হয়েছে ৪ লাখ ৪০ হাজার ৭০৪ জন। চারটি ধাপে গত ১০ মার্চ থেকে শুরু করে মোট ১৫৩টি টিম এ কাজ সম্পন্ন করে। প্রতিটি টিমে ৯টি করে মোট ১ হাজার ৩৭৭টি ল্যাপটপে এ কার্যক্রম চলে। এতে প্রতিদিন প্রায় ৪৫ হাজার ভোটার নিবন্ধিত হন।
