সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নিরাপত্তাজনিত সরঞ্জাম নেই। ফলে মান্ধাতা আমলের পদ্ধতিতে যাত্রীদের দেহ ও ব্যাগ তল্লাশি করা হচ্ছে। এতে যেমন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে তেমনি নাশকতার আশংকা উড়িয়ে দিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রকাশ, ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে লোকসানের অজুহাতে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সকল ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত করা হয়। ওই সময় সৈয়দপুর- ঢাকা পথে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৮২ আসন বিশিষ্ট এফ-২৮ উড়োজাহাজ চলাচল করতো।
বর্তমানে ওই বিমানটি চালু না হলেও সপ্তাহে চারদিন এ রুটে বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
উল্লেখ্য, সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আর্চওয়ে গেট নেই, নেই স্ক্যানিং মেশিনও। তাই কেবলমাত্র মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশির ওই কাজটি সারতে হচ্ছে। এতে করে ব্যাগ খুলে মালামাল তছনছ এবং হাত দিয়ে দেহ তল্লাশির কারণে প্রতিনিয়ত বচসা হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যাত্রীদের। বিমানের জনৈক যাত্রী জানান, বিশ্বে কোন বিমানবন্দরে এভাবে যাত্রী হয়রানি হতে হয় না। তিনি দ্রুত সৈয়দপুর বিমানবন্দরে স্বয়ংক্রিয় (অটোমেটিক) নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংযোজনের জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান।
স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম না থাকায় বিমানবন্দরে যে কোন সময় বড় ধরনের নাশকতার আশংকা করছেন সংশ্লিষ্টরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিভিল এভিয়েশনের একজন কর্মকর্তা জানান, যথাযথ তল্লাশি না হলে যে কোন ব্যক্তি যাত্রীবেশে অস্ত্র নিয়ে বিমানে উঠে পড়তে পারে। এমনটি হলে সেই দায় আমাদের ওপরই বর্তাবে। অথচ ওই নাশকতামূলক কাজ ঠেকানোর মতো কোন আধুনিক সরঞ্জাম আমাদের হাতে নেই।
উল্লেখ্য, এই বিমানবন্দরে বেসরকারি বিমান চলাচলের পাশাপাশি নেপাল ও ভুটানের ওভার ফ্লাই চার্জ-এর মাধ্যমে আয় করছে।
