অবশেষে হবিগঞ্জের সর্বস্তরের জনতার প্রতিবাদের মুখে রক্ষা পেল হবিগঞ্জের জজ কোর্টের পুকুর। গণপূর্ত বিভাগ পুকুর ভরাট করে চিফ জুডিশিয়াল কোর্ট ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। ২৬ কোটির এই প্রকল্পে শুধু পুকুর ভরাট করতে ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৪ কোটি টাকা। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) থেকে শুরু করে শহরের রাজনীতিবিদ, কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ পুকুর ভরাট না করার জন্য মতামত দেন। অপরদিকে গুটিকয়েক আইনজীবী পুরনো টিন শেডের দু’টি কোর্ট ভবন না ভেঙ্গে পুকুর ভরাটের পক্ষে অনড় থাকায় সিনিয়র জুডিশিয়াল কোর্ট ভবন নির্মাণ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। পরিবেশ অধিদপ্তরও কয়েক বিঘা আয়তনের পুরনো পুকুর ভরাটের পক্ষে মতামত দেয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন পেশার সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী জজ কোর্টের ভবনের পেছনে খালি জায়গায় কোর্ট নির্মাণের জন্য বাপা’র নেতৃবৃন্দ আইনমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত্ করে দাবি জানান। এ প্রেক্ষিতে আইনমন্ত্রী পুকুর ভরাট না করে কোর্ট ভবন নির্মাণের জন্য গণপূর্ত বিভাগকে নির্দেশ দেন। মন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরও তাদের পূর্বের মতামত তুলে নেয়। ১৬ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ ৩ আসনের সাংসদ আবু জাহির নতুন চিফ জুডিশিয়াল কোর্ট ভবনের নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। এসময় আইনজীবীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
