প্রফেশনাল আন্তর্জাতিক কোর্স

আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:১২
শিক্ষা পরবর্তী সময়ে চাকরির বিষয়টি নিশ্চিত করতেই শিক্ষা লাভের বিষয় নির্বাচন গুরুত্ব পাচ্ছে সবার কাছে। পড়ালেখার পরে ডিগ্রি নিয়ে চাকরি পাওয়া যাবে কি না, সেটা নিয়েই চিন্তিত সকলে। এ কারণেই ক্যারিয়ার গড়ার জন্য বৈচিত্র্যময় বিষয়ে পড়ালেখার চিন্তা করছে অনেকেই। বর্তমান সময়ে সহজে ক্যরিয়ার গড়ার অন্যতম কোর্স হচ্ছে এসিসিএ, সিএটি, এফআইএ। এইসব ভিন্নমাত্রার পেশায় সফলতার হার অনেক বেশি। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেখানে ৪ বছরে ৮-১৫ লক্ষ টাকা দিয়ে সাধারণ ডিগ্রি নিয়ে ক্যারিয়ার গড়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে, সেখানে তুলনামুলক কম খরচে এ ধরনের প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং ডিগ্রি সম্পন্ন করে দেশে-বিদেশে দ্রুত চাকরি পাওয়া যায়। বিদেশে পড়তে যাওয়া খরচসাপেক্ষ একটি বিষয়। তাই দেশে বসেই আন্তর্জাতিক মানের এসিসিএ, সিএটি বা এফআইএ ডিগ্রি গ্রহণের সুযোগ গ্রহণ করছেন অনেকেই। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় বিবিএ/এমবিএ করতে ৫ থেকে ১২ লাখ টাকা লেগে যায়। সেখানে আনুমানিক চার লাখ টাকায় সিএটি/এসিসিএ সম্পন্ন করা যায়। কোর্সটি যথেষ্ট সহজ এবং বাংলাদেশের ব্যচেলর ডিগ্রির সমান বিএসসি অনার্স ইন অ্যাপ্লাইড অ্যাকাউন্টিং সম্পন্ন করা যায় তিন বছরে। এসিসিএ জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন আব অ্যাকাউন্ট্যান্টসের মেম্বার। এটি আন্তর্জাতিক ডিগ্রি যে কারণে পুরো বিশ্বজুড়েই শিক্ষার্থীর কর্মক্ষেত্র বিদ্যমান থাকে। এসিসিএ কোর্সটি সিএ, আইসিএমএ, সিআইএমএ, সিপিএ প্রভৃতির মত সমমানের। সিএ এবং এসিসিএ’র মধ্যে মূল পার্থক্য হলো সিএ স্থানীয় কারিকুলাম আর এসিসিএ এচ্ছে ব্রিটিশ কারিকুলাম। এসিসিএ একমাত্র কোর্স যা যেকোনো পর্যায়ে ইংল্যান্ডসহ ১৭৩টি দেশে ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যায়। দ্য অ্যাসেসিয়েশন অব চার্টার্ড সার্টিফায়েড অ্যাকাউন্ট্যান্টস (এসিসিএ) এবং সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টিং টেকনিশিয়ান (সিএটি) দু’টিই প্রফেশনাল কোর্স। সিএটি হচ্ছে অ্যাকাউন্টিং কোয়ালিফিকেশন যেখানে অ্যাকাউন্টিংয়ের বেসিক থেকে শেখানো হয়। এটি করার পর দ্রুত এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। ৮১৯১৬৬২, ০১৭২০৫৫৩২৭২ নম্বরে ফোন করে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। এফআইএ হচ্ছে এসিসিএ’র এন্ট্রি লেভেলের স্যুট অব কোয়ালিফিকেশনস যা থেকে শিক্ষার্থীরা পূর্বের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কোর্স বেছে নিতে পারে। যারা একেবারেই এন্ট্রি লেভেল থেকে শুরু করতে চায়, তাদের এফআইএ’র ইন্ট্রোডাক্টরি সার্টিফিকেট লেভেল থেকে শুরু করতে হবে। যাদের কিছুটা অ্যাকাউন্টিং ব্যাকগ্রাউন্ড আছে, তারা এফআইএ’র ইন্টারমিডিয়েট সার্টিফিকেট লেভেল থেকে শুরু করতে পারে। যাদের অ্যাকাউন্টিংয়ের বেসিক শক্তিশালী কিন্তু গ্র্যাজুয়েশন নেই, তারা এফআইএ’র ডিপ্লোমা লেভেল থেকে শুরু করতে পারে। যেকোনো শিক্ষার্থী ডিপ্লোমা লেভেল শেষ করে সরাসরি এসিসিএ’র স্কিল মডিউলে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে সিএটি সার্টিফিকেট পাবে না। যেসব শিক্ষার্থী সিএটি সার্টিফিকেট নিতে চায় তাদের পূর্বের মতোই ৯টি বিষয় সম্পন্ন করতে হবে যার মধ্যে এফআইএ’র ইন্ট্রোডাক্টরি সার্টিফিকেট, ইন্টারমিডিয়েট সার্টিফিকেট, ডিপ্লোমা এবং আরও ২টি বিষয় সম্পৃক্ত আছে। বাংলাদেশে এ ডিগ্রি পরিচালনা করা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চার্ডার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ অন্যতম। এখানে রয়েছে চমত্কার সেটআপ ও এসিসিএ কর্তৃক গোল্ড অ্যাপ্রুভাল। এখানে কেবল সেই শিক্ষকরা ক্লাস নেন যারা সিএটি/এসিসিএ সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এ ছাড়া নিজস্ব সফটওয়্যারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার বেজড পরীক্ষার প্র্যাকটিস করানো হয়। যোগাযোগ :বাড়ি-৫১, রোড-১০/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা।