অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে প্রফেশনাল হতে চাইলে

আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:১৩
বাংলাদেশসহ বিশ্ব জুড়ে এভিয়েশন খাতের দ্রুত বিকাশ ঘটে চলেছে। বিশ্বমানের এয়ারলাইন্স শিল্পের কাতারে বাংলাদেশও ইতিমধ্যে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। ফলে এদেশেও এই শিল্পে প্রয়োজন পড়ছে এভিয়েশনে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত শিক্ষার্থীদের। এদিক দিয়ে বাংলাদেশে সমপ্রতি চালু হওয়া অন্যতম গ্রহণযোগ্য ডিগ্রি হচ্ছে অ্যারোনটিক্যাল সায়েন্স। ক্যারিয়ার গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীরা এই ডিগ্রি অর্জন করে থাকে। যা সমকালীন পৃথিবীর সর্বত্র কর্মক্ষেত্র পেতে সহায়তা করে। অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং বা এয়ারক্রাফট মোইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার হচ্ছে এমন একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি যিনি উড়োজাহাজের জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করে। বিশেষ করে অ্যারোপ্লেন উড্ডয়নের আগে এর সব সিস্টেম ঠিক আছে কি না তা সম্পর্কে পাইলটরা সব ধরনের তথ্য পত্র নিয়ে থাকে। উড়োজাহাজের যাত্রি এবং পাইলটদের জীবন এবং তাদের নিরাপদে পৌছানোর অনেক কিছু নির্ভর করে এয়ারক্রাফটমেনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ারের উপর। বাংলাদেশে এদিক দিয়ে এয়ারলাইন্স খাতে এদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরো বিশ্বজুড়ে কর্মমূখী করতে এগিয়ে এসেছে ওমর সুলতান ফাউন্ডেশন। ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে যে কয়টি পেশার সর্বাধিক চাহিদা রয়েছে তার মধ্যে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়রিং অন্যতম। প্রয়োজনের তুলনায় এই পেশায় যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা বাংলাদেশে অনেক কম। ওমর সুলতান ফাউন্ডেশনের ছাত্রবৃত্তি সহায়তায় ইউনাইটেড কলেজ অব এভিয়েশনে অ্যান্ড সায়েন্সের মাধ্যমে এদেশে শিক্ষা প্রসারে বিশেষ অবদান রেখে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় তারা অ্যারোনটিক্যাল সায়েন্স বিষয়েই ডিগ্রি পরিচালনা করে যাচ্ছে। এয়ারক্রাফট মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়াররা সাধারণত এযারক্রাফটয়ের নিত্যনতুন ডিজাইন উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ, এয়ারফ্রেম ইঞ্জিন তৈরি, অনুসাঙ্গিক যন্ত্রপাতির সংযোগ স্থাপন, মেরামত প্রভৃতি করা। অন্যদিকে এয়ারক্রাফটয়ের ফ্লাইট টেস্ট প্রগ্রামে টেক অব ডিস্টেন্স, রেট অব ক্লইম্ব, সিল স্পিড, ম্যানুভারিলিটি এন্ড ল্যান্ডিং ক্যাপাসিটি প্রভৃতি পর্যবেক্ষণ করে থাকে। অন্যদিকে জ্বালানি দূষণ কমানো, দূর্ঘটনার কারণ নির্ণয়, সেফটি সিস্টেমস সহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে এয়ারক্রাফট মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ করতে হয়। ৭৯১১৮৩১, ০১৭৪৯৩০৬০৯০ নম্বরে ফোন করে এ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারবেন সহজেই। অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়রিংয়ে পড়তে এইচএসসি অথবা এ লেভেল পাশ করা থাকতে হয়। সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারী পায় আন্তর্জাতিক মানের সার্টিফিকেট। হায়ার ন্যাশনাল ডিপ্লোমা ইন অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে শিক্ষার্থীরা বিশ্বের অনেক দেশের ইউনিভার্সিটিতে সহজেই চূড়ান্ত বর্ষে ভর্তি হয়ে বিইজি ইন অ্যারোস্পেস-এর সার্টিফিকেট অর্জন করতে পারে। সরকারি-বেসরকারি দুটি ক্ষেত্রেই রয়েছে এই পেশায় চাকরির বিশেষ সুযোগ। ইউনাইটেড কলেজ অব এভিয়েশন সায়েন্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট আন্তর্জাতিক মানের অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার তৈরির লক্ষ্যে এই কোর্স পরিচালনা করছে।