প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা আজ বৃহস্পতিবার যশোর আসছেন। সকালে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে তিনি যশোর পৌঁছবেন। দিনভর তিনি এখানে ব্যস্ত সময় কাটাবেন। অপরাহ্নে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় ঈদগাহ ময়দানে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত এক জনসভায় ভাষণ দেবেন। দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের পর যশোরে এটাই তার প্রথম জনসভা।
জনসভার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর হাতের স্পর্শে দেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটবে বৃটিশ-ভারতের অন্যতম প্রথম জেলা যশোরের। এর আগে উদ্বোধন হবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সর্ববৃহত্ ম্যুরালের। সকালে যশোরে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ বিমান বাহিনী একাডেমীতে শীতকালীন গ্র্যাজুয়েশন কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান পরিদর্শন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে ঘিরে যশোরে রীতিমতো সাজ সাজ রব পড়ে গেছে।
যত সব দাবি:উন্নয়নের প্রশ্নে বরাবরই উপেক্ষিত যশোরবাসী এখন উন্মুখ হয়ে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট ঘোষণা শোনার। এরই মধ্যে দলীয় এবং প্রশাসনিক উভয় চ্যানেলে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পৌঁছে গেছে যশোরবাসীর চাওয়া-পাওয়ার কথা। এর মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রয়েছে যশোর পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা এবং ভৈরব নদ খননে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন। এছাড়া সবজি রফতানির জন্য যশোর বিমান বন্দরে আন্তর্জাতিক কার্গো সুবিধার আওতায় আনা, যশোরকে অর্থনৈতিক জোন ঘোষণা, আইটি পার্ক স্থাপন ইত্যাদি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুব-উল-আলম হানিফ ১২ ডিসেম্বর যশোরে অনুষ্ঠিত দলের বর্ধিত সভায় বলেন, দাবি এমন হওয়া উচিত যা সরকারের এক বছরের মেয়াদে বাস্তবায়নযোগ্য।
