ছোট্ট সাগরকে দেখলে যে কারও মায়া হবে, তার সাথে কথা বললে তা বাড়বে বৈ কমবে না । কারণ ৯/১০ বছর বয়সেই সাগরের বুকে জমা হয়েছে এক সাগর কষ্ট। যে বয়সে একটি শিশু বই-খাতা নিয়ে স্কুলে যাবার কথা অভাবের কারণে সে-ই বয়সে সাগর ছুটেছে কাগজ কুড়িয়ে তার দরিদ্র মা বাবাকে সাহায্য করতে। কিন্তু বর্তমানে সাগর তাও করতে পারছে না। তার দেহের উপরের অংশে বাসা বেঁধেছে মরণব্যাধি ক্যান্সার। ডাক্তার জানিয়েছেন, এটি স্কিন ক্যান্সার, দু্রত চিকিত্সা না করালে তা অল্পদিনেই হাড়কে আক্রান্ত করবে। প্রাথমিকভাবে ডাক্তার দেখানো ছাড়া তার আর কোন চিকিত্সা হয়নি। চিকিত্সা করানোর মতো এত টাকাও নেই তার রিকশা শ্রমিক বাবা আব্দুল হামিদ মিয়া ও শ্রমিক মা রাহেলা বেগমের। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে সাগর চর্তুথ। ছোট একটি ঘর ভাড়া করে তার পরিবার জীবিকার তাগিদেই থাকেন আশুগঞ্জের পোড়া গুদাম এলাকার। সাগর জানায়, তার শরীরে সবসময় ব্যথা করে, রাতে ঘুমাতে পারে না, শক্ত খাবারও খেতে পারে না। কেবল তরল ভাত খেতে হয় তাকে। সাগরের চিকিত্সায় হূদয়বান মানুষের সহায়তা চেয়েছেন তার পিতা আবদুল হামিদ। সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা: মোঃ মোরশেদ আলী, হিসাব নং এমএফএসএ-৪৯৮, ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, আশুগঞ্জ শাখা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
