চুয়াডাঙ্গা জেলায় চলতি তুলা উত্পাদন মৌসুমে বিঘাপ্রতি ৪/৫ মণ ফলন হওয়ায় ব্যাপক ফলন বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। গত বছর এ জেলায় তুলার উত্পাদন হয়েছিল বিঘাপ্রতি ১২/১৪ মণ। মৌসুমের পুরো সময় পানির অভাবজনিত বৈরি আবহাওয়ার কারণেই মূলত চুয়াডাঙ্গা জেলায় তুলার ফলন কম হয়েছে। অপরদিকে প্রয়োজনীয় ফালন না আসায় চাষিরা তুলা ফসল বিক্রি করেও বিক্রিত ফসলের মূল্য পাচ্ছেন না। দিনের পর দিন তুলা ক্রয়-বিক্রয় কেন্দ্রে ধরনা দিয়েও তুলা বিক্রির টাকা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, চলতি উত্পাদন মৌসুমে ১০ হাজার মেঃ টন উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে সদ্য সমাপ্ত চাষ মৌসুমে চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে তুলা চাষ কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু তুলা ফসলের চাষ হয়েছিল ৪ হাজার ১৪৯ জমিতে। চাষিদের অভিযোগে, গাছে ফুল ফোটার সময় কোন বৃষ্টিপাত না হওয়ায় তুলা ফলন মারাত্মক হ্রাস পেয়েছে। বিঘাপ্রতি তুলা চাষে ১০/১২ হাজার টাকা খরচ করে আশাতীত ফলন না পাওয়ায় চাষিদের এখন মাথায় হাত। চুয়াডাঙ্গার দামুরহুদার তুলা চাষি কাজী আরাফাত রহমানের অভিযোগে, তিনি বুকভরা আশা নিয়ে রূপালী-১ জাতের তুলা ফসলের চাষ করেছিলেন। কিন্তু ফলন অত্যন্ত কম হওয়ায় তিনি মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন।
