‘স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় চাই আধুনিক বিমান বাহিনী’

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:০৫
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য একটি পেশাদার ও আধুনিক বিমান বাহিনী অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বিভিন্ন জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলায় বিমান বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এছাড়া বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোতে মানবিক সাহায্য প্রদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যশোর একাডেমি প্যারেড গ্রাউন্ডে শীতকালীন গ্রাজুয়েশন কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ মিশনে বিমান বাহিনীর কর্তব্য নিষ্ঠা আর উন্নত পেশাদারিত্ব বিশ্ব নেতৃবৃন্দের কাছে প্রশংসা কুড়িয়েছে। এই বাহিনী প্রতি বছর জাতিসংঘ নিরাপত্তা কার্যক্রমের অধীনে ৪ হাজার উড্ডয়ন ঘন্টা সফলতার সাথে সম্পন্ন করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্যের শুরুতে বিজয়ের এই মাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করে বলেন, তার নেতৃত্বে আমরা মহান স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম। তিনি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ, দুই লাখ নির্যাতিত মা’বোনদের এবং মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল শহীদ বীর সেনাদের। পরে প্রধানমন্ত্রী কমিশন পাওয়া ২২জন ফ্লাইট ক্যাডেটকে অভিনন্দন জানান। পদক বিতরণ :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুচকাওয়াজ ও অভিবাদন গ্রহণের পর ফ্লাইট ক্যাডেটদের মাঝে পদক, সনদ ও ফ্লাইং ব্যাজ বিতরণ করেন। ফ্লাইট ক্যাডেট উইং আন্ডার অফিসার সৌমিত্র কুমার বিশ্বাস ৬৬তম ক্যাডেট কোর্সে সেরা চৌকস কৃতিত্বের জন্য ‘সোর্ড অব অনার’ এবং জেনারেল সার্ভিস প্রশিক্ষণের কৃতিত্বের জন্য কমান্ড্যান্টস্ ট্রফি লাভ করেন। উড্ডয়ন প্রশিক্ষণের জন্য ফ্লাইট ক্যাডেট সার্জেন্ট হালিমুর রহমান বীর শ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ট্রফি লাভ করেন এবং সেরা কৃতিত্বের জন্য ফ্লাইট ক্যাডেট ফেরদৌস সুলতানা বিমান বাহিনী প্রধান ট্রফি লাভ করেন। এছাড়া এক নম্বর স্কোয়ার্ডন চ্যাম্পিয়ন বিবেচিত হয়ে একাডেমি পতাকা লাভ করেন।